Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: টানা চতুর্থ হারে কোণঠাসা কেকেআর, ৩২ রানে ম্যাচ জিতল সিএসকে‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য কমতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

খাতা না দেখে নম্বর! প্রশ্নের মুখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ, ক্ষোভ ছাত্রদের

যাদবপুরের সাংবাদিকতা বিভাগের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ একেবারেই নতুন নয়।

খাতা না দেখে নম্বর! প্রশ্নের মুখে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগ, ক্ষোভ ছাত্রদের

যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়

শেষ আপডেট: 19 November 2024 15:17

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিতর্ক যেন পিছুই ছাড়ছে না যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের। এবার খাতা না দেখেই পড়ুয়াদের নম্বর দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সাংবাদিকতা বিভাগের বিরুদ্ধে অভিযোগ, ৫০ জন পড়ুয়ার খাতা না দেখেই দেওয়া হয়েছে নম্বর। পরে রিভিউ করলে বিষয়টি জানাজানি হয় বলে খবর।  

যাদবপুরের সাংবাদিকতা বিভাগের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ একেবারেই নতুন নয়। এর আগেও পড়ুয়ারা একাধিকবার পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অভিযোগ উঠেছে অধ্যাপকদের বিরুদ্ধেও।

পড়ুয়াদের দাবি, রাজনৈতিক পরিচয় জেনে অনেকের নম্বর খাতা না দেখেই বাড়িয়ে দেওয়া হয়। যদিও এসব অভিযোগ প্রথম থেকেই উড়িয়ে দিয়েছে সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম বিভাগের প্রধান পার্থসারথি চক্রবর্তী।

কিন্তু এবার ৫০ জনের খাতা না দেখেই মনের মতো নম্বর বসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ সামনে এসেছে। জানা গিয়েছে, জুলাই মাসে পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। তারপর অগস্টে ফল বেরোলে দেখা যায় অনেকের নম্বর আশ্চর্যজনকভাবে কম এসেছে। এরপরই খাতা রিভিউয়ের সিদ্ধান্ত নিলে আসল রহস্য সামনে আসে। দেখা যায় ৫০ জন পড়ুয়ার খাতায় গরমিল হয়েছে।

এমন বিষয় সামনে আসতেই সোমবার অরবিন্দ ভবনের সামনে বিক্ষোভ দেখান পড়ুয়ারা। তাঁদের অভিযোগ, কীভাবে এতজন পড়ুয়াদের সঙ্গে অন্যায় করা হল? খাতা না দেখেই কীভাবে এতজন পড়ুয়ার ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করা হল তা জানাতে হবে বিভাগীয় প্রধানকে। মঙ্গলবার   বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় বসতে পারে বলে খবর। 

তবে সাংবাদিকতা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জানিয়েছেন, কোনও সমস্যা হওয়ার কথা নয়। খাতা ভালভাবে দেখে তারপরই জমা দেওয়া হয়েছিল। যদিও বিষয়টি নিয়ে সোমবারই ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য ভাস্কর গুপ্তের সঙ্গে আলোচনায় বসে পড়ুয়ারা। উপাচার্য পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেওয়ার  পর পরিস্থিতি কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণে আসে। অবিলম্বে এই সমস্যার বিহিত না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুশিয়ারি পড়ুয়াদের।


```