Date : 14th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
‘ভূত বাংলো’য় সেন্সর বোর্ডের কাঁচি! বাদ গেল ৬৩টি দৃশ্য, ছবির দৈর্ঘ্য করতেই চিন্তায় অক্ষয়ভোটের ডিউটিতে কড়া নিয়ম! প্রিসাইডিং ও সেক্টর অফিসারদের জন্য একগুচ্ছ নির্দেশিকা কমিশনের'বন্ধু' মোদীকে ফোন ট্রাম্পের! ৪০ মিনিট ধরে হরমুজ প্রণালী নিয়ে কী আলোচনা হল?লোকাল ট্রেনের টিকিটে বিরাট ছাড়! ৫ টাকার টিকিট এখন কত পড়বে? জেনে নিন বিস্তারিতTB Vaccine: যক্ষ্মা প্রতিরোধে কতটা সফল নতুন টিকা? ট্রায়ালের রিপোর্টে আশার আলোর পাশাপাশি উদ্বেগের সুর বিজ্ঞানীদের'বাঙালি ব্রিটিশদের সামনে মাথা নত করেনি, আর এই বহিরাগতরা আমাদের কী করবে?' বিজেপিকে তোপ অভিষেকেরসাইলেন্ট লাং ডিজিজ: কাশি মানেই কি ক্যানসার? দূষণে ফুঁসছে ফুসফুস, কখন দরকার ট্রান্সপ্লান্ট?'ইগো সরিয়ে রাখুন', নিজেদের মধ্যে মতভেদ সরিয়ে এক হয়ে লড়ার নির্দেশ অভিষেকেরভাইরাল ভিডিও হাতিয়ার করে শাহের তোপ! হুমায়ুনকে ‘দিদির এজেন্ট’ বলে কটাক্ষ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীরগরমে মেজাজ হারালেন কর্মীরা! চুঁচুড়ায় নিজের দলের লোকেদেরই বিক্ষোভের মুখে দেবাংশু

নব নালন্দার সুরক্ষা বাড়াতে লাগানো হচ্ছে জাল, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকও করবেন অভিভাবকরা

স্কুলের প্রিন্সিপালের সঙ্গে বৈঠক করার কথা অভিভাবকদের একটি প্রতিনিধি দলের। সূত্রের খবর, ১০ জন অভিভাবক সেই বৈঠকে থাকতে চলেছেন।

নব নালন্দার সুরক্ষা বাড়াতে লাগানো হচ্ছে জাল, কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বৈঠকও করবেন অভিভাবকরা

স্কুলে লাগানো হচ্ছে জাল - নিজস্ব ছবি

শেষ আপডেট: 13 January 2025 16:51

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সোমবার দক্ষিণ কলকাতার নব নালন্দা স্কুলে বড় দুর্ঘটনা ঘটেছে। স্কুলে ঢুকতে গিয়ে কাচ ভেঙে পড়ে জখম হয় স্কুলেরই দুই ছাত্র। সেই ঘটনায় পড়ুয়াদের নিরাপত্তা নিয়ে তো বটেই প্রশ্ন উঠেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের ভূমিকা নিয়েও। সেই প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার গোটা বিষয় নিয়ে অভিভাবকরা বৈঠক করতে চলেছে স্কুল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে। তার আগে স্কুলের ভিতর লাগানো হচ্ছে নেট। সুরক্ষা বাড়াতেই তৎপর স্কুল কর্তৃপক্ষ। 

মঙ্গলবার স্কুলের প্রিন্সিপালের সঙ্গে বৈঠক করার কথা অভিভাবকদের একটি প্রতিনিধি দলের। সূত্রের খবর, ১০ জন অভিভাবক সেই বৈঠকে থাকতে চলেছেন। ইতিমধ্যে স্কুলের তরফে প্রিন্সিপাল ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে নিয়েছেন। তাঁর কথায়, ঘটনাটি খুবই দুঃখজনক। তবে স্কুলে নিরাপত্তার কোনও অভাব নেই। পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণেরও সবরকম ব্যবস্থা রয়েছে। যদিও অভিভাবকরা এই আশ্বাস বার্তায় খুশি হতে পারেনি। 

অভিভাবকদের স্পষ্ট অভিযোগ, পড়ুয়াদের আপৎকালীন চিকিৎসা ও অ্যাম্বুলেন্সের জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ মাসে ৩০০ টাকা করে নেয়। অথচ এদিন দুর্ঘটনার সময় মেলেনি ফাস্ট এড এবং অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা। তাঁরাই নিজেদের উদ্যোগে অ্যাম্বুলেন্সে করে জখম পড়ুয়াদের হাসপাতালে নিয়ে যান বলে দাবি। এছাড়া রক্ষণাবেক্ষণ নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। বক্তব্য, পরিচ্ছন্নতার জন্যও আলাদা করে টাকা নেওয়া হয়। অথচ পড়ুয়াদের বাথরুমও নিয়মিত পরিষ্কার করা হয় না।

স্কুলের প্রিন্সিপাল অবশ্য বলছেন, অভিভাবকরা তাঁদের সন্তানদের নিশ্চিন্তে স্কুলে পাঠাতে পারেন। স্কুলে কোনও সমস্যা নেই। কিন্তু অভিভাবকরা সোমবারের ঘটনার পর বেজায় ক্ষুব্ধ। কিন্তু তাঁরা এতদিন মুখ খোলেননি কেন? অভিভাবকদের কথায়, স্কুল কর্তৃপক্ষর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখানো মানে তো সন্তানদের বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া। যদি নম্বর কম দেয়। কিন্তু এদিন যেভাবে দু'জন পড়ুয়ার প্রাণ সংশয়ের পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে বাধ্য হয়েই তাঁরা মুখ খুলেছেন।

মঙ্গলবার সকাল ১১টা নাগাদ স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং অভিভাবক দুই পক্ষের বৈঠক হওয়ার কথা। এখন এটাই দেখার সেই বৈঠকের নির্যাস কী হয়। 


```