
মুকুন্দপুরের এই দোকানেই চলে হামলা
শেষ আপডেট: 17 November 2024 14:29
দ্য ওয়াল ব্যুরো: খাস কলকাতায় সোনার দোকানে লুঠের চেষ্টা! বাধা দিতে গেলে মালিকের গলায় ধারাল অস্ত্রের কোপ দুই দুষ্কৃতীর। গুরুতর আহত অবস্থায় ওই ব্যক্তিকে আরএন টেগোর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে খবর। তাঁর গলায় চোট গুরুতর বলেই জানা গিয়েছে।
স্থানীয়দের মতে, রবিবার দুপুর পৌনে ১২টা নাগাদ মুকুন্দপুর বাজার লাগোয়া ওই সোনার দোকানে লুঠ চালাতে আসে দুই দুষ্কৃতি। ক্রেতা হিসাবে সোনার দোকানে ঢুকলেও মালিক সঞ্জয় কুমার সরকার একেবারেই হামলার বিষয়টি আঁচ করতে পারেননি। দোকানে ঢুকে সোনা লুঠের চেষ্টা করলে বাধা দেন মালিক। তারপরই তাঁর গলার চেন হাতিয়ে নিতে ধারাল অস্ত্রের কোপ বসিয়ে দেওয়া হয় বলে খবর।
পরে সোনার দোকানের মালিক চেঁচামেচি শুরু করলে স্থানীয়রা ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে দুই দুষ্কৃতীকে পাকড়াও করে পুলিশের হাতে তুলে দেয় বলে খবর। তবে কী কারণে এই হামলা তা এখনও জানা যায়নি। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পূর্ব যাদবপুর থানার পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, সঞ্জয়ের গলায় সোনার চেন ছিল। দুষ্কৃতীরা ঢুকে প্রথমে সেই হার ছিনতাইয়ের চেষ্টা করেন। বাধা দিতে গেলে দোকান মালিকের গলায় ধারালো অস্ত্রের কোপ মারা হয়। তাঁর চিৎকার শুনে বাকিরা ছুটে আসেন। একাধিক বার তাঁর গলায় কোপ মারা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রত্যক্ষদর্শীরা।
রবিবার সকালে ঘটনাকে কেন্দ্র করে মুকুন্দপুর বাজার এলাকায় রীতিমতো আতঙ্ক ছড়িয়েছে। কিন্তু দিনেদুপুরে এমন কাণ্ডে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন স্থানীয়রা। শেষ পাওয়া খবর, দোকান মালিকের অবস্থা বর্তমানে কিছুটা স্থিতিশীল হলেও তাঁর চোট বেশ গুরুতর বলেই জানিয়েছে হাসপাতাল।
ইতিমধ্যে দুই দুষ্কৃতীকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে পুলিশ। কেন তারা হামলা চালাল? ঘটনার পিছনে অন্য কারও হাত রয়েছে কী না তা জানার চেষ্টা চলছে। ধৃতদের মধ্যে একজনের নাম দীপঙ্কর পাল। ত্রিপুরার বাসিন্দা দীপঙ্কর মুকুন্দপুরের একটি হাসপাতালে কর্মরত। সম্প্রতি শেয়ার বাজারে অনেক টাকা খোয়া যাওয়ায় এমন কাণ্ড সে ঘটিয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ।