দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু'বছর আগেই সিনেমা হলের আগুন নেভানোর ব্যবস্থার সংস্কার করা হয়েছিল। কর্মীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থাও করা হয়েছিল। রক্ষণাবেক্ষণের কোনও সমস্যা ছিল না। তা সত্ত্বেও আগুন নিয়ন্ত্রণ করতে না পারায় হতাশ জয়া সিনেমা হল কর্তৃপক্ষ। তাঁদের তরফে জানানো হয়েছে, দীর্ঘদিন ধরেই সিনেমা হল বন্ধ রয়েছে। চারতলার উপরে কোনও গ্যাস সিলিন্ডারও ছিল না। রান্নার কাজও হত না বলেও দাবি কর্তৃপক্ষের।
তবে মনে করা হচ্ছে, একদিকে হল বন্ধ, অন্যদিকে লকডাউনের জেরে হলের রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও পর্যাপ্ত কর্মী ছিল না। তাই আগুন নেভানোর সবরকম ব্যবস্থা থাকলেও, বিপদের সময়ে তা ব্যবহার করা সম্ভব হয়নি। বন্ধ হলে কর্মীরা না থাকার জন্যই আগুন বড় আকার ধারণ করে।
পাশাপাশি, লকডাউনের জন্য শহরের অধিকাংশ সিঙ্গল স্ক্রিন হলই খোলেনি। জয়া ও মিনি জয়াও এই তালিকায় ছিল। কিন্তু, বন্ধ সিনেমা হলে শুক্রবার কীভাবে আগুন লাগল? তা খতিয়ে দেখতে আজ, শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ফরেনসিক দল। আগুন লাগার কারণ হিসেবে দমকলের অনুমান, সিলিং ফ্যান থেকেই শর্ট সার্কিট হয়ে আগুন লেগেছে। তবে ফরেনসিক রিপোর্ট আসার পরই আগুনের আসল কারণ জানা যাবে।
শুক্রবারের অগ্নিকাণ্ডে গুরুতর আহত হন হলের নিরাপত্তারক্ষীর স্ত্রী অঙ্কিতা সিং। শ্বাসকষ্টের সমস্যা হওয়ায় তাঁকে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি আপাতত বিপদমুক্ত।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে বন্ধ মিনি জয়া সিনেমা হল। তবে জয়া সিনেমা হলটি একাধিকবার চালু করার চেষ্টা হয়েছে। কিন্তু তাতেও কোনও লাভ হয়নি। শুক্রবার রাতে মিনি জয়া সিনেমা হলে আগুন লাগে। ঘটনাস্থলে যায় দমকলের ১৫টি ইঞ্জিন। ঘটনাস্থলে যান দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু ও বিধাননগর পুলিস কমিশনারেটের পুলিশকর্তা সুপ্রতিম সরকার।