
পুকুর ভরাটের অভিযোগে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ফিরহাদ হাকিমের
শেষ আপডেট: 6 July 2024 19:28
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুকুর ভরাটের অভিযোগ এলেই সঙ্গে সঙ্গে পদক্ষেপ নিতে হবে, একাধিকবার কড়া বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবুও দিনেদুপুরে পুকুর ভরাট হয়ে যাচ্ছে শহর কলকাতায়। পুকুর বুজিয়ে উঠে যাচ্ছে বড় বড় ইমারত। যা নিয়ে বার বার পুলিশের কাছে অভিযোগ জানিয়েও লাভ হচ্ছে না, প্রায়ই এমনই অভিযোগ উঠে আসে শিরোনামে। এবার সেই অভিযোগে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিল কলকাতা পুরসভা। পুকুর ভরাটের অভিযোগে থানার নিষ্ক্রিয়তা থাকলে লালবাজারে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তার বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ জানানোর বার্তা দিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।
ঘটনার সূত্রপাত শনিবার 'টক টু মেয়র' অনুষ্ঠানে একটি ফোনকে কেন্দ্র করে। এদিন মেয়রের কাছে ১৪০ নম্বর ওয়ার্ডের পুকুর ভরাটের অভিযোগ আসে। সেই প্রসঙ্গে ফিরহাদ বলেন, "যদি অভিযোগ সত্যি হয় আমি শীঘ্রই দেখব। অনেক সময় দেখা যায়, ব্যক্তিগত রাগের জন্য অনেকে অভিযোগ করেন।" আর এই প্রসঙ্গেই পুকুর বোজানো নিয়ে পুরসভার কড়া অবস্থানের বিষয়ে জানান ফিরহাদ।
মেয়রের কথায়, "পুকুর বোজানো দেখা শুধু পুরসভার নয়, পুলিশকেও দেখতে হবে। একবার দু'বার স্থানীয় পুলিশে জানিয়ে কাজ না হলে, লালবাজারে সেই পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানাতে হবে। কোনও মতেই পুকুর বা জলাশয় ভরাট করতে দেওয়া যাবে না।
অন্যদিকে, কয়েকদিন ধরে শহরে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটছে ৷ কোথাও গণধোলাই তো আবার কোথাও গুলি চালানোর মতো অপরাধমূলক ঘটনা সামনে এসেছে। শহরের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়েও এদিন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম ৷ তবে গুলি চালানোর ঘটনায় বাংলার যোগ নেই বলে জানিয়েছেন তিনি ৷
এছাড়াও কলকাতায় অবৈধ পার্কিং থেকে বেআইনি নির্মাণ সহ সবেতেই পুরসভার কড়া পদক্ষেপের বার্তা দিয়েছেন ফিরহাদ। তিনি বলেন, পুর কর্মীদের পার্কিং নিয়ে মনিটরিং আরও বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে বেআইনি পার্কিং রুখতে আধিকারিকদের নিজেদেরই গাড়ি চালিয়ে সারপ্রাইজ ভিজিট করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
গার্ডেনরিচ কাণ্ডের পর শহরে জুড়ে বেআইনি নির্মাণের ছবি স্পষ্টভাবে নজরে এসেছে। কিন্তু ফিরহাদের কথায়, অবৈধ নির্মাণ ভাঙতে গেলেই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে নির্মাণকারী আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে। এরপর আদালত পুরসভার কাজে স্থগিতাদেশ দিয়ে দিলে আর কিছু করার থাকছে না। তাঁর মতে, "কেউ স্থগিতাদেশ নিয়ে এলে আমরা কেন উচ্চ আদালতে যাবো না। সংশ্লিষ্ট বেআইনি নির্মাণের বিষয়ে আদালতকে জানাবো।"