সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের এই ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠছে নারী নিরাপত্তা নিয়ে। শুক্রবার বিকেলে প্রথমে বাম ছাত্র-যুবরা গেট টপকে কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে ছিঁড়ে ফেলে মমতা-অভিষেকের ফ্লেক্স।

ছেঁড়া হল মমতা-অভিষেকের পোস্টার
শেষ আপডেট: 27 June 2025 18:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর মেডিক্যাল (RG Kar) কলেজের মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই ফের চাঞ্চল্য কলকাতায়— এ বার দক্ষিণ কলকাতার কসবার এক ল কলেজে ছাত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। যার প্রতিবাদে কসবা থানার সামনে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বাম ছাত্র-যুব সংগঠন এসএফআই-ডিওয়াইএফআই (SFI-DYFI)।
সাউথ ক্যালকাটা ল কলেজের এই ঘটনায় ফের প্রশ্ন উঠছে নারী নিরাপত্তা নিয়ে। শুক্রবার বিকেলে প্রথমে বাম ছাত্র-যুবরা গেট টপকে কলেজ ক্যাম্পাসে ঢুকে ছিঁড়ে ফেলে মমতা-অভিষেকের ফ্লেক্স। এরপর কসবা থানা ঘেরাও করে তারা। বিক্ষোভে থানার সামনে তুলকালাম পরিস্থিতি তৈরি হয়। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হলে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশ। কয়েকজনকে আটক করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।
কলেজের মধ্যেই ছাত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় ইতিমধ্যেই তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত মনোজিৎ মিশ্র (৩১), ওই ল’ কলেজের প্রাক্তন ছাত্র এবং বর্তমানে আলিপুর আদালতে আইন প্র্যাকটিস করেন। বাকি দুই অভিযুক্ত জাইব আহমেদ ও প্রমিত মুখোপাধ্যায়— বর্তমানে কলেজেরই ছাত্র। ঘটনায় ধৃতদের আগামী ১ জুলাই পর্যন্ত পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিলেন আলিপুর আদালতের মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারক।
বস্তুত, কসবার আইন কলেজে তরুণীকে ধর্ষণের ঘটনায় স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে পদক্ষেপ করেছে জাতীয় মহিলা কমিশন। এই ব্যাপারে কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মার সঙ্গেও যোগাযোগ করা হয়েছে। কসবার ধর্ষণ মামলায় কী কী পদক্ষেপ করা হয়েছে, তা তিন দিনের মধ্যে বিস্তারিত রিপোর্ট আকারে কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।