
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 24 October 2024 15:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বৃহস্পতিবার মধ্যরাতের পর আর শুক্রবার ভোরের আগেই ল্যান্ডফল হয়ে যাওয়ার কথা ঘূর্ণিঝড় 'দানা'র। তার জন্য আগে থেকে নানাবিধ পদক্ষেপ ইতিমধ্যেই নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। যথাসাধ্য খালি করা হয়েছে দিঘা, মন্দারমণি বিচ। কিন্তু শুধু সমুদ্র নিয়ে নয়, গঙ্গা নিয়েও আশঙ্কা বাড়ছে। কারণ, জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে গঙ্গার। এই কারণে লকগেট বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
এদিন বিকেলের পর থেকেই গঙ্গার জলস্তর বেড়ে ১৩ ফুট ছাড়িয়ে যাওয়ার কথা। সেই কারণে গঙ্গার লকগেটগুলি বিকেলের পর থেকেই রাত আটটা পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। শুধু আজ নয়, আগামীকাল অর্থাৎ শুক্রবারও জোয়ারের ফলে গঙ্গার জলস্তর বাড়ার কথা। তাই লকগেটগুলি ভোর সাড়ে চারটে থেকে সকাল নটা পর্যন্ত বন্ধ রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড়ের বিপদ থেকে যাত্রীদের বাঁচাতে ইতিমধ্যে একাধিক জেলায় বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে ফেরিঘাটও। ইতিমধ্যে দিঘা বা মন্দারমণির সমুদ্র জলোচ্ছ্বাস দেখা যাচ্ছে। বিকেলের পর থেকে তা আরও বাড়বে বলেই আশঙ্কা। গঙ্গার জলও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি অস্থির হয়ে উঠেছে। তাই এখন থেকে যাবতীয় পদক্ষেপ নিয়ে নিয়েছে প্রশাসন।
শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, গত আড়াই ঘণ্টায় আরও ৫০ কিমি এগিয়ে এসেছে 'দানা'। এই মুহূর্তে পারাদ্বীপ থেকে ২১০ কিলোমিটার, ধামারা থেকে ২৪০ কিলোমিটার ও সাগরদ্বীপ থেকে ৩১০ কিলোমিটার দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব দিক অবস্থান করছে ঘূর্ণিঝড়। ওড়িশার ভিতরকণিকা ও ধামারার কাছে ল্যান্ড ফল করার প্রবল সম্ভাবনা। পুরী থেকে সাগরদ্বীপ পর্যন্ত বিস্তৃত হবে এর প্রভাব। ল্যান্ডফলের সময় ঘণ্টায় এর গতিবেগ সর্বোচ্চ ১২০ কিলোমিটার হতে পারে।
ল্যান্ডফলের সময় দিঘা, মন্দারমনি-সহ পূর্ব মেদিনীপুরের উপকূলবর্তী এলাকায় ঘণ্টায় ঝড়ের সর্বোচ্চ গতিবেগ থাকতে পারে ১০০ থেকে ১২০ কিমি। আলিপুর জানাচ্ছে, ল্যান্ডফলের সময় দিঘায় জলোচ্ছ্বাসের উচ্চতা ১ থেকে ২ মিটার হতে পারে। একইভাবে দক্ষিণ ২৪ পরগনার উপকূলে দশমিক ৫ থেকে ১ মিটার পর্যন্ত জলোচ্ছ্বাস হতে পারে।