
বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে শ্রদ্ধা জানান কুণাল ঘোষ, সিভি আনন্দ বোস
শেষ আপডেট: 8 August 2024 14:41
দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণে শোকপ্রকাশ করছেন অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের সদস্যরাই। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বটেই, তাঁর দলের তরফ থেকেও সকলে বুদ্ধবাবুর প্রতি শ্রদ্ধা জানান। মমতার স্পষ্ট বার্তাই ছিল, এই সময়টা রাজনীতির নয়, সৌজন্যের। দলের অন্যান্য নেতাদের মতো কুণাল ঘোষও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন। তাঁর কাছে অবশ্য তিনি 'ট্র্যাজিক নায়ক'!
কুণাল নিজের সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ''প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য প্রয়াত। রাজনৈতিক বিরোধিতা থাকলেও সাংবাদিক হিসাবে তাঁর যে স্নেহ, সহযোগিতা পেয়েছি, তা ভরা থাকবে স্মৃতিসুধায়। সঠিক ভাবনা, ভুল পদ্ধতির এক ট্র্যাজিক নায়ক হিসাবে ইতিহাসের পাতায় থাকবেন তিনি। প্রণাম তাঁকে। সমবেদনা পরিবারকে।'' অনেকেই মনে করছেন, এই মন্তব্য করে কুণাল আসলে সিঙ্গুর ইস্যুর কথা বলতে চেয়েছেন। সেই সময়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এবং সিঙ্গুরে ন্যানো প্রকল্পের জন্য জমি অধিগ্রহণ শুরু করেছিল তৎকালীন সরকার। তার বিরোধিতা করেই আন্দোলনে নামেন তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাকিটা তো সকলেরই জানা।
তৃণমূল নেতা হয়তো বলতে চেয়েছেন, বুদ্ধবাবুর ভাবনা সঠিক ছিল, কিন্তু তাঁর পদ্ধতি ভুল ছিল। তাই তিনি ট্র্যাজিক নায়ক হিসেবেই রয়ে গেছেন। এমনটাই মনে করছে নেটমাধ্যম। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের প্রয়াণে শোকবার্তা দিয়ে বলেন, এই খবর পেয়ে তিনি খুবই দুঃখ পেয়েছেন। বুদ্ধবাবুর পরিবারের প্রতি তিনি সমবেদনাও জানিয়েছেন।
রাজ্যপালের কথায়, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য এমন একজন ব্যক্তি যিনি সমাজের সর্বস্তরের মানুষের ভালবাসা এবং সম্মান পেয়েছেন। তাঁর চিন্তাভাবনা, সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতি আগ্রহ, অনাড়ম্বর জীবনযাপন সকলকেই অনুপ্রাণিত করে। অধিকাংশ মানুষ তাঁর প্রতি শ্রদ্ধাশীল মনোভাবই পোষণ করেন। অন্যদিকে, বাংলার প্রাক্তন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের কথায়, সত্যিকারের কমিউনিস্ট কাকে বলে তিনি আজ জানলেন। অনেকেই কমিউনিস্ট বলে নিজেকে দাবি করেন, কিন্তু তাঁরা কেউই বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য নয়।