
শেষ আপডেট: 1 October 2021 14:06
শুক্রবার এই ছবিই চোখে পড়ল কুমোরটুলিতে। অনেকদিন পর রোদ উঠেছে। জোরকদমে শেষ পর্যায়ের কাজ চলছে। সেই সঙ্গে হই হই করে ঢুকছে ছবি শিকারিদের দল। চলছে প্রাক-বিবাহ ফটোগ্রাফিও (pre-wedding photo shoot)। যে কারণে কাজে ব্যাঘাত ঘটছে। মুহুর্মুহু শাটার ক্লিকের শব্দে মনঃসংযোগে বিঘ্ন ঘটছে বলেও অভিযোগ শিল্পীদের।
কুমোরটুলি (kumortuli) প্রগতিশীল মৃৎশিল্পী সমন্বয় সমিতির সম্পাদক অপূর্ব পাল বললেন, '৫০ টাকার বিনিময়ে অবাধ স্বাধীনতা পেয়ে যাচ্ছে শখের ফটোগ্রাফার, স্বঘোষিত ব্লগাররা। অশালীন পোশাকে বহু মেয়ে প্রতিমার সামনে পোজ দিয়ে সাঙ্গপাঙ্গদের দিয়ে ছবি তোলাচ্ছে। বহু শিল্পী-কারিগররা এখানে পরিবার নিয়ে বাস করেন। তাঁরা অস্বস্তিতে পড়ছেন।'
কারিগর মানস পাল বললেন, 'এখন নতুন হিড়িক শুরু হয়েছে প্রি-ওয়েডিং ফটোশুট। হবু দম্পতিরা ফটোশুট করতে আসছেন। সেই সঙ্গে কনটেম্পোরারি ফটোগ্রাফির দোহাই দিয়ে দুর্গাবেশে মডেল নিয়ে ছবি তুলিয়েদের কথা তো ছেড়েই দিলাম। কিছু মেয়ে দুর্গা বেশে উর্ধ্বাঙ্গে শুধু অন্তর্বাস পরে ছবি তুলছে। যা খুবই আপত্তিকর।'
এদিন কুমোরটুলি মৃৎশিল্প সমিতির তরফে মাইকে ঘন ঘন ফটোগ্রাফারদের উদ্দেশে ঘোষণা করা হয়েছে। অশালীন পোশাকে (ugly attire) ছবি তুলতে বারণ করা হচ্ছে ঘোষণায়। বিষয়টি নিয়ে গনেশ পাল বললেন, 'কোভিডের মধ্যে বেশিরভাগ ছেলে-মেয়েই মাস্ক না পরেই স্টুডিওতে ঢুকছে। ঘুরে বেড়াচ্ছে চারিদিকে। বারণ করলেও শুনছে না তারা।'