
২১ জুলাইয়ের প্রস্তুতি নিয়ে জানালেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল
শেষ আপডেট: 19 July 2024 18:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: লোকসভার পর রাজ্যের চার কেন্দ্রে উপনির্বাচনেও সবুজ ঝড় বয়ে গেছে। তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। দুই নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়লাভের পর ২১ জুলাইকে সামনে রেখেই তৃণমূলের প্রথম বড় জনসভা হতে চলেছে।
আগামী রবিবার ২১ জুলাই শাসক দলের বিরাট কর্মসূচি। প্রতিবারের মতো এবারেও যে বিপুল ভিড় হবে ধর্মতলা চত্বরে তার আন্দাজ মিলেছে। ভিড়ের কথা মাথায় রেখে পুলিশ-প্রশাসনও প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছে।
শুক্রবার ভিক্টোরিয়া হাউজ়ের কাছে একুশে জুলাইয়ের মঞ্চ পরিদর্শনে এসেছিলেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল-সহ পুলিশের পদস্থ কর্তারা। শুধু মঞ্চই নয়, আশপাশের চত্বরও ঘুরে দেখেন পুলিশ কর্তারা। মূলত ভিআইপিদের বসার জায়গা, সাধারণ কর্মী-সমর্থকদের ভিড় কোথায় থাকবে সেই সব বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন কলকাতার নগরপাল। একুশে জুলাই শহরে কয়েক লাখ মানুষের সমাবেশ হয়। তাই বিশাল ভিড়ের মধ্যে নিরাপত্তায় যাতে কোনও খামতি না থাকে, তা নিশ্চিত করতে তৎপর কলকাতা পুলিশ।
এদিন মঞ্চ পরিদর্শনের পর বিনীত গোয়েল জানান, প্রতি বছরের মত এবারও তিনটি বিষয়ের উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। যা হল নিরাপত্তা, যান-চলাচল ও আইন-শৃঙ্খলা। পুলিশের তরফে অনেকদিন আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
২১ জুলাই যান-চলাচল এবং শহরের সাধারণ মানুষের যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই বিষয়টির দিকেও নজর রাখছে কলকাতা পুলিশ। কলকাতার নগরপালের কথায়, "ভিড় সামাল দেওয়ার জন্য পুলিশ-প্রশাসন সম্পূর্ণ প্রস্তুত। এই বছর যাবতীয় পরিস্থিতি নজরে রাখতে কলকাতা পুলিশের বিশাল বাহিনীর ব্যবস্থা রয়েছে। যে কোনও রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি হলে আমরা মোকাবিলার জন্য প্রস্তুত।”
এবছর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী রবিবার দিনভর বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সেক্ষেত্রেও প্রস্তুতি সেরে নিয়েছে পুলিশ। বৃষ্টি কিংবা যে কোনও সমস্যায় অনুষ্ঠানে যাতে কোনও বিঘ্ন হবে না বলে আশ্বস্ত করেছেন বিনীত গোয়েল।
শুক্রবার থেকেই কলকাতায় আসতে শুরু করে দিয়েছেন বিভিন্ন জেলার তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী-সমর্থকরা। শনিবার এবং অবশ্যভাবে রবিবার সকাল থেকে যে কলকাতার রাস্তায় চাপ বাড়বে তা বলাই বাহুল্য। তৃণমূলের লক্ষ্য উত্তরবঙ্গের জেলাগুলি থেকে বেশি সংখ্যক কর্মী-সমর্থক আনা। আর তাঁদের থাকার জন্য নেতাজি ইন্ডোর, ক্ষুদিরাম অনুশীলন কেন্দ্র, উত্তীর্ণ, গীতাঞ্জলি স্টেডিয়াম, সল্টলেক স্টেডিয়াম, ইকো পার্ক এবং সেন্ট্রাল পার্কে ব্যবস্থা করা হয়েছে।