পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার জেরে লেক থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দুই ক্লাবের মধ্যে যাতে ফের অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

বিবাদে নাম উঠে এসেছে সংহতি ক্লাব ও প্রগতি সংঘের।
শেষ আপডেট: 7 September 2025 20:35
দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুজোর আগে ব্যানার টাঙানোকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল দক্ষিণ কলকাতায় (South Kolkata news)। রবিবার সন্ধে নাগাদ দুই ক্লাবের সদস্যদের মধ্যে ব্যানার লাগানো নিয়ে (Durga Puja banner fight) ব্যাপক মারামারির ঘটনায় অন্তত চারজন আহত হয়েছেন। ঘটনায় থমথমে পরিবেশ এলাকায়।
বিবাদে জড়িয়ে পড়ে নাম উঠে এসেছে সংহতি ক্লাব ও প্রগতি সংঘের ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, লর্ডস মোড়ে বাঁশ বেঁধে সংহতি ক্লাবের ব্যানার লাগানো হয়েছিল। অভিযোগ, হঠাৎ সেই ব্যানার ছিঁড়ে ফেলে প্রগতি সংঘের কিছু সদস্য ও স্থানীয় কাউন্সিলর ঘনিষ্ঠরা। এর প্রতিবাদ করতেই শুরু হয় হাতাহাতি। পরে সংঘর্ষ চরম আকার নেয় (club politics)।
#
সংহতি ক্লাবের পক্ষ থেকে অভিযোগ, প্রায় ২৫–৩০ জন বহিরাগতও সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল। তারা মারতে থাকে ক্লাবের সদস্যদের। বাদ যায়নি লাথি, ঘুষি, চড়, থাপ্পড় কিছুই। কিছুক্ষণ পরে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।
সংহতি ক্লাবের আরও দাবি, এই উত্যক্ত করতে থাকার ঘটনা আজ প্রথমবার নয়। গত কয়েক বছর ধরেই চলছে এই ঘটনা। প্রতিবার পুজোর আগে প্রগতি সংঘ একইভাবে তাদের ব্যানার ছিঁড়ে দেয় এবং জায়গা দখলের চেষ্টা করে।
পুলিশ জানিয়েছে, এই ঘটনার জেরে লেক থানায় একটি অভিযোগ দায়ের হয়েছে। দুই ক্লাবের মধ্যে যাতে ফের অশান্তি না ছড়ায়, তার জন্য এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
এদিকে, আজ এক বেসরকারি কলেজের শিক্ষিকার আত্মহত্যার ঘটনার জেরে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বাঁশদ্রোণী এলাকায়।
স্থানীয় একটি ভাড়াবাড়ি থেকে উদ্ধার হয় ঝুলন্ত দেহ। জানা গিয়েছে, মৃত্যুর আগে এক পুরুষ বন্ধুকে একটি ভিডিও বার্তা পাঠিয়েছিলেন তিনি। তা নিয়েই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ভিডিওতে নিজের আত্মহত্যার সিদ্ধান্তের কথাই জানান ওই শিক্ষিকা। তিনি বলেছেন, জীবনে আর বেঁচে থাকার কোনও কারণ নেই। দীর্ঘদিন ধরে মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন তিনি। তাঁর মৃত্যুর জন্য কাউকে দায়ীও করেননি ওই বার্তায়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই তরুণী ও তাঁর পুরুষ বন্ধু একসঙ্গেই ভাড়া থাকতেন। ঘটনার সময়ে সেই বন্ধু বাড়িতে ছিলেন না। ভিডিও বার্তা পাওয়ার পর তিনি ফিরে আসেন এবং রান্নাঘরের পাশের ঘরে গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় শিক্ষিকাকে দেখতে পান। দ্রুত তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন।
প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, মানসিক অবসাদ থেকেই এমন পদক্ষেপ করেছেন ওই শিক্ষিকা। তবে আর্থিক, মানসিক না শারীরিক কোনও সংকটের কারণে আত্মহত্যা করেছেন, তা এখনও স্পষ্ট নয়।