
শেষ আপডেট: 5 April 2024 15:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ফের চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে ধুন্ধুমার ধর্মতলা চত্বর। শুক্রবার সাতটি সংগঠনের ডাকে কলেজস্ট্রিট থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত ছিল মহামিছিল। কিন্তু ডোরিনা ক্রসিংয়ের সামনে আসতেই প্রার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। নিয়োগের দাবিতে চাকরিপ্রার্থীরা রাস্তায় বসে পড়লে, তাঁদের টেনে হিঁচড়ে পুলিশ তুলে দেয় বলে অভিযোগ।
বুধবার রাজ্য গ্রুপ ডি ২০১৭, ২০০৯ দক্ষিণ ২৪ পরগনার প্রাইমারি মঞ্চ, এনএসকিউ এফ শিক্ষক পরিবার যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ, নবম দশম যুব ছাত্র অধিকার মঞ্চ, কর্মশিক্ষা মাদ্রাসা পাস প্রার্থী মঞ্চ, ২০১৪ প্রাইমারি টেট, একতা মঞ্চ যৌথভাবে মহামিছিলের কর্মসূচি নেয়। সেই মতো কলেজ স্কোয়ার থেকে শহীদ মিনার পর্যন্ত মিছিল যেতে শুরু করে। চাকরিপ্রার্থীদের আন্দোলনে যোগ দেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের সদস্যরাও।
কলেজ স্কোয়ার থেকে মিছিল শান্তিপূর্ণভাবে এলেও ধর্মতলার কাছে উত্তেজনা তৈরি হয়। রাস্তা আটকে প্রার্থীরা আন্দোলন শুরু করলে তাঁদের পুলিশ চলে যেতে অনুরোধ করে। এরপর পুলিশের সঙ্গে প্রার্থীদের উত্তক্ত বাক্য বিনিময় হয়, পরে বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে আটক করে তুলে নিয়ে যায় পুলিশ। যার মধ্যে ছিলেন সংগ্রামী যৌথ মঞ্চের আহ্বায়ক ভাস্কর ঘোষও। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমি জানতে পেরেছি পুলিশ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মদতেই এভাবে আন্দোলন থামিয়ে দিয়েছে। ওনার মদতেই বিক্ষোভে বাধা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমাদের আন্দোলন থামবে না।”
আন্দোলনকারীদের দাবি, পরীক্ষা, ইন্টারভিউও হয়েছে। কিন্তু আট বছর ধরে কোনও নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। রাজ্যের বিভিন্ন নিয়োগ প্রক্রিয়া থমকে রয়েছে। ফলে প্রার্থীদের চাকরির বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে। সেই সঙ্গে নিয়োগে স্বচ্ছতার প্রশ্ন তুলেন চাকরিপ্রার্থীরা। এদিন বউবাজার ক্রসিংয়ে মানিক ভট্টাচার্যের কুশপুতুল দাহ করা হয়।