
শেষ আপডেট: 12 October 2023 20:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ছাত্রদের হাতে নিগৃহীত হচ্ছেন তাঁরা। এই অভিযোগে বুধবার রাত থেকে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছেন অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ-সহ কর্মসমিতির (ইসি) কয়েক জন সদস্য। যাদবপুরের মতো নামী বিশ্ববিদ্যালয়ের একাংশ পড়ুয়ার এমন আচরণের নিন্দায় সরব হলেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
যাদবপুরের ঘটনাকে ‘অনভিপ্রেত’ আখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ছাত্রছাত্রীরা নিজেদের দাবি দাওয়া নিয়ে আন্দোলন করতে পারেন, পড়ুয়া থাকাকালীন আমরাও নিজেদের দাবি পূরণে আন্দোলন করেছি। কিন্তু অধ্যাপককে তুইতোকারি করা বা চার বা পাঁচ অক্ষরে সম্বোধন করা (পড়ুন, গালাগালি) আন্দোলনের রাস্তা হতে পারে না।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “এটা ঠিক, সব শিক্ষককে শ্রদ্ধা করা যায় না, আবার সব ছাত্রকে স্নেহ করা যায় না।’’
বৃহস্পতিবার রাজ্যের সব স্কুলের প্রধানশিক্ষকদের নিয়ে ধনধান্য প্রেক্ষাগৃহে একটি কর্মশালার আয়োজন করেছিল রাজ্যের শিক্ষা দফতর। সেখানেই সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে একথা বলেন ব্রাত্য।
১৮ ঘণ্টা অতিক্রান্ত। এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসে রয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য বুদ্ধদেব সাউ-সহ কর্মসমিতির (ইসি) কয়েক জন সদস্য। তাঁরা তাঁদের এই আন্দোলনের প্রতীকি নামকরণ করেছেন ‘সত্যাগ্রহ আন্দোলন’।
বস্তুত, বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু বিষয়ে বুধবার কর্মসমিতির বৈঠক বসেছিল। সেখানেই পড়ুয়াদের একাংশ আন্দোলনের নামে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্তর্বর্তীকালীন উপাচার্য সহ অধ্যাপকদের উদ্দেশ্য করে কুরুচিকর সম্বোধন করে বলে অভিযোগ। তারই প্রতিবাদে বুধবার রাত থেকেই প্রশাসনিক ভবনের সামনে ধর্নায় বসেছে উপাচার্য সহ কয়েকজন অধ্যাপক। কোন পথে জট কাটবে তা অবশ্য এখনও স্পষ্ট নয়। তবে আন্দোলনকারী পড়ুয়াদের এমন আচরণ রাজ্য যে সমর্থন করে না, এদিন সেটাই স্পষ্ট করে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী।