
শেষ আপডেট: 27 August 2021 13:43
এনআরএস–এর প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রতীক্ষালয়ের চেহারা ভিড়ে ঠাসা গ্যালারির মতো! দেখা গেল, আউটডোর-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের একাধিক ভবনের ভিতর করোনা-বিধি মানা হচ্ছে বটে। ডাক্তার দেখানোর সময়ে মেনে চলা হচ্ছে দূরত্ববিধি। কিন্তু হাসপাতাল চত্বরে রোগী-পরিজনের সহাবস্থান নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বাদ নেই ওপিডি টিকিট কাউন্টারও।
একই পরিস্থিতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালেও। পর্যাপ্ত বসার জায়গা নেই। তাই যত্রতত্রই বসে পড়ছেন লোকজন। বর্ষায় হাসপাতালের বিভিন্ন সিঁড়ি, চাতালের নীচে ঠাসাঠাসি করে দাঁড়াচ্ছেন।
ফলে, হাসপাতালেই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে প্রতি পদে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানাচ্ছেন, ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় কসুর করেননি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাঁদের শত চেষ্টার পরেও করোনা-বিধি তোয়াক্কা করছে না কেউ। কলকাতা মেডিক্যালে কর্তব্যরত এক পুলিশকর্মী বললেন, ‘আমরা অনেক চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের কথা লোকে কথা শুনলে তো!’
করোনার প্রথমদিকে বিধি মেনে ভিড় সামলানোর জন্য অনেক রকম পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি একটু ভালোর দিকে যেতেই যে কে সেই!কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক স্বাস্থ্যকর্মী জানালেন,রোগীদের নিয়ে চিন্তার পাশাপাশি বেশি চিন্তা তাঁদের সঙ্গে আসা লোকজনদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে নিশ্চয়ই এমন অনেক রোগী আছেন যাঁরা উপসর্গহীন করোনা-বাহক। কিন্তু অনেক চেষ্টাতেও বাসের ভিতরকার যাত্রীদের মতোই হাসপাতাল চত্বরের খোলা জায়গায় প্রতিটি রোগীর মধ্যে যথাযথ ব্যবধান রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এই পথে করোনা ছড়ানোও এক প্রকার অনিবার্য।’