Date : 15th Apr, 2026 | Call 1800 452 567 | info@thewall.in
IPL 2026: ভাগ্যিস আইপিএলে অবনমন নেই! নয়তো এতক্ষণে রেলিগেশন ঠেকানোর প্রস্তুতি নিত কেকেআর TCS Scandal: যৌন হেনস্থা, ধর্মান্তরে চাপ! নাসিকের টিসিএসকাণ্ডে মালয়েশিয়া-যোগে আরও ঘনাল রহস্যক্যান্ডিডেটস জিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নশিপে গুকেশের মুখোমুখি সিন্দারভ, ড্র করেও খেতাবের লড়াইয়ে বৈশালীIPL 2026: চেন্নাইয়ের বিরুদ্ধে হেরে টেবিলের তলানিতে কেকেআর! গুরুতর বদলের ইঙ্গিত রাহানের নববর্ষের 'শুভনন্দন'-এও মুখ্যমন্ত্রীর SIR তোপ! বাংলায় পয়লা বৈশাখের শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীরইরানের সব পণ্যবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ করে‌ দেওয়া হয়েছে, দাবি আমেরিকার, চিন্তা ইরানি ল্যান্ডমাইনও Poila Baisakh: দক্ষিণেশ্বর থেকে কালীঘাট, নববর্ষে অগণিত ভক্তের ভিড়, পুজো দিতে লম্বা লাইনপয়লা বৈশাখেই কালবৈশাখীর দুর্যোগ! মাটি হতে পারে বেরনোর প্ল্যান, কোন কোন জেলায় বৃষ্টির পূর্বাভাসমেয়েকে শ্বাসরোধ করে মেরে আত্মঘাতী মহিলা! বেঙ্গালুরুর ফ্ল্যাটে জোড়া মৃত্যু ঘিরে ঘনীভূত রহস্য UCL: চ্যাম্পিয়নস লিগের শেষ চারে পিএসজি-আতলেতিকো, ছিটকে গেল বার্সা-লিভারপুল

থিকথিকে ভিড়ে এনআরএস, মেডিকেলের আউটডোর যেন দুয়ারে সরকারের শিবির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাসপাতালের আউটডোর, নাকি দুয়ারে সরকারের শিবির!‌ একটি এনআরএস, অন্যটি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। করোনা থেকে বাঁচতে মানুষ যেখানে যায়, সেখান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে!‌ দূরত্ববিধি মানছেন না রোগী ও তাদের আত

থিকথিকে ভিড়ে এনআরএস, মেডিকেলের আউটডোর যেন দুয়ারে সরকারের শিবির

শেষ আপডেট: 27 August 2021 13:43

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাসপাতালের আউটডোর, নাকি দুয়ারে সরকারের শিবির!‌ একটি এনআরএস, অন্যটি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল। করোনা থেকে বাঁচতে মানুষ যেখানে যায়, সেখান থেকেই সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে!‌ দূরত্ববিধি মানছেন না রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজনরা। এনআরএস এবং কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল, দুটিই আবার করোনা হাসপাতাল।‌ কিন্তু দুটি হাসপাতালেরই আউটডোরে যে যেখান থেকে পারছেন ঢুকছেন। গায়ে গা লাগিয়ে বসছেন। গাদাগাদি করে লাইনে দাঁড়াচ্ছেন, ঠেলাঠেলি করছেন। হাসপাতালে বিভিন্ন জায়গায় করোনাবিধি মনে করিয়ে দিতে মাইকে প্রচার চলছে। কিন্তু সেসব নিয়ে কোনও মাথাব্যাথা নেই রোগী ও তাদের আত্মীয়স্বজনদের। এনআরএস–এর প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিভাগের প্রতীক্ষালয়ের চেহারা ভিড়ে ঠাসা গ্যালারির মতো! দেখা গেল, আউটডোর-সহ বিভিন্ন হাসপাতালের একাধিক ভবনের ভিতর করোনা-বিধি মানা হচ্ছে বটে। ডাক্তার দেখানোর সময়ে মেনে চলা হচ্ছে দূরত্ববিধি। কিন্তু হাসপাতাল চত্বরে রোগী-পরিজনের সহাবস্থান নিয়ন্ত্রণের বাইরে। বাদ নেই ওপিডি টিকিট কাউন্টারও। একই পরিস্থিতি কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালেও। পর্যাপ্ত বসার জায়গা নেই। তাই যত্রতত্রই বসে পড়ছেন লোকজন। বর্ষায় হাসপাতালের বিভিন্ন সিঁড়ি, চাতালের নীচে ঠাসাঠাসি করে দাঁড়াচ্ছেন। ফলে, হাসপাতালেই করোনা সংক্রমণের আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে প্রতি পদে। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা জানাচ্ছেন, ভিড় নিয়ন্ত্রণের চেষ্টায় কসুর করেননি কর্তৃপক্ষ। কিন্তু তাঁদের শত চেষ্টার পরেও করোনা-বিধি তোয়াক্কা করছে না কেউ। কলকাতা মেডিক্যালে কর্তব্যরত এক পুলিশকর্মী বললেন, ‘‌আমরা অনেক চেষ্টা করে হাল ছেড়ে দিয়েছি। আমাদের কথা লোকে কথা শুনলে তো!’ করোনার প্রথমদিকে বিধি মেনে ভিড় সামলানোর জন্য অনেক রকম পরিকল্পনা করা হয়েছিল। কিন্তু পরিস্থিতি একটু ভালোর দিকে যেতেই যে কে সেই!‌কলকাতা মেডিক্যাল কলেজের এক স্বাস্থ্যকর্মী জানালেন,রোগীদের নিয়ে চিন্তার পাশাপাশি বেশি চিন্তা তাঁদের সঙ্গে আসা লোকজনদের নিয়ে। এঁদের মধ্যে নিশ্চয়ই এমন অনেক রোগী আছেন যাঁরা উপসর্গহীন করোনা-বাহক। কিন্তু অনেক চেষ্টাতেও বাসের ভিতরকার যাত্রীদের মতোই হাসপাতাল চত্বরের খোলা জায়গায় প্রতিটি রোগীর মধ্যে যথাযথ ব্যবধান রাখা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এই পথে করোনা ছড়ানোও এক প্রকার অনিবার্য।’

```