দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভোটের ফল ঘোষণার দিনই সন্ধের পর কলকাতার বেলেঘাটায় খুন হয়েছিলেন তরুণ বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার। তাঁর দেহ এখনও সৎকার হয়নি। কারণ ময়নাতদন্তের রিপোর্ট নিয়েই মামলা চলছে হাইকোর্টে। সেই মামলায় মঙ্গলবার বড় নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্ট।
এদিন হাইকোর্টের বৃহত্তর বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে নিহত বিজেপি কর্মীর ডিএনএ পরীক্ষা করতে হবে। তার রিপোর্ট জমা দিতে হবে এক সপ্তাহের মধ্যে।
কেন ডিএনএ পরীক্ষার নির্দেশ?
আদালতে অভিজিতের পরিবার জানিয়েছিল, তাঁরা দেহ শনাক্ত করতে পারেননি। বিজেপির একাংশের অভিযোগ, অন্য দেহকে অভিজিতের দেহ বলে চালানো হয়েছে। অভিযোগের গুরুত্ব বুঝেই এদিন ডিএনএ টেস্টের নির্দেশ দিল কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি রাজেশ বিন্দালের নেতৃত্বাধীন বৃহত্তর বেঞ্চ।
আদালত নির্দেশ দিয়েছে, কলকাতার কমান্ড হাসপাতাল ডিএনএ-র নমুনা সংগ্রহ করবে। পরীক্ষার জন্য তা ন্যাশনাল ফরেনসিক ল্যাবরেটরি সায়েন্সে পাঠাতে বলেছে আদালত। এমনকি এই পরীক্ষাটি অগ্রাধিকারের সঙ্গে করার নির্দেশ হাইকোর্ট। এক সপ্তাহের মধ্যে মুখবন্ধ খামে রিপোর্ট চেয়েছে আদালত।
অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত আদালতে বলেন, রাজ্য পুলিশের হাত থেকে এখনও তদন্তভার সরিয়ে নেয়নি সুপ্রিম কোর্ট। তাহলে যখন ওই ডিএনএ পরীক্ষা হবে তখন রাজ্য পুলিশের প্রতিনিধিকে সেখানে উপস্থিত থাকার অনুমতি দেওয়া হোক। তিনি এও বলেন, অভিজিতের বাড়ির লোক পুলিশকে সাহায্য করছে না। জবানবন্দি দিতে বা তদন্তের স্বার্থে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে কোনও উত্তর মিলছে না।
অভিজিতের পরিবারের আইনজীবী এদিন বলেন, আদৌ যে দেহ মর্গে পড়ে রয়েছে সেটি সরকার ফ্যামিলির সদস্যের কিনা তা জানে না পরিবার। তাই কিছুটা ভীত এবং সন্ত্রস্ত হয়ে রয়েছে তার পরিবার। পুলিশ গিয়ে এর আগেও বিভিন্ন কথা জোর করে বলিয়ে নেবার চেষ্টা করেছে। এহেন অবস্থায় ডিএনএ পরীক্ষা হওয়াটা খুব জরুরি।