
শেষ আপডেট: 19 March 2024 07:46
দ্য ওয়াল ব্যুরো: দু’ রাত পার। এখনও গার্ডেনরিচে কংক্রিটের নিচে দু’জনের আটকে থাকার আশঙ্কা রয়েছে। সোমবার রাত অবধি উদ্ধারকাজ চালিয়েছেন জাতীয় বিপর্যয় বাহিনীর সদস্যরা। আরও ১০ জনকে ধ্বংসস্তূপের নীচে থেকে বের করা হয়েছে। সকাল থেকে ফের শুরু হয়েছে উদ্ধারকাজ। বহুতল বিপর্যয়ে এখনও পর্যন্ত ৯ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গিয়েছে।
রবিবার রাতে গার্ডেনরিচের আজহার মোল্লা বাগানে এলাকায় ঝুপড়ির উপর ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ বহুতলের একাংশ। ধ্বংসস্তুপের নীচে আটকে পড়েন বহু মানুষ। প্রাথমিকভাবে ৪ জনের মৃত্যু খবর পাওয়া গিয়েছিল। পুলিস সূ্ত্রে খবর, সেই সংখ্যাটা এখন বেড়ে হয়েছে ৯।
চারদিকে চাঙড়, লোহার জাল, বাঁশ, টিন আরও বহু কিছু স্তূপের মতো পড়ে। ফলে সেইসব সরিয়ে উদ্ধারকাজ যথেষ্টই চ্যালেঞ্জিং। এনডিআরএফ সূত্রে জানা গেছে, ধ্বংসস্তূপের নীচে আরও ২ জনের আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
গার্ডেনরিচ ববি হাকিমের নির্বাচন কেন্দ্র। সেই এলাকারই ১৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে বহুতল ভেঙে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ৩ ফুট গলির মধ্যে কীভাবে ৬ তলা বাড়ি উঠছিল সেটাই মূল প্রশ্ন। শুধু এই বাড়িটিই নয়, গত কয়েক বছরে গার্ডেনরিচ এলাকায় এরকম আরও বহুতল তৈরি হয়েছে। স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্ন উঠেছে যে, এই বাড়ি তৈরির অনুমতি কে দিল? কে প্ল্যান অনুমোদন করল? আর অনুমোদিত প্ল্যানের বাইরে গিয়ে নির্মাণ হলে কেন পুরসভা আগেই ব্যবস্থা নিল না।
পুলিশ জানিয়েছে, বহুতলটিতে ৫টি তলা ছিল। পুলিশের কাছে ধৃত জানিয়েছে, উপরের ফ্লোরে দেওয়াল তৈরি করা হচ্ছিল। তার ফলে বিপর্যয় হয়। গতকাল দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এলাকা পরিদর্শন করে তিনি প্রশাসনকে নির্দেশ দেন প্রমোটারের বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া জন্য। তার পরই প্রমোটার মহম্মদ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কী করে প্রশাসনের নজর এড়িয়ে এই নির্মাণটি করছিলেন প্রোমোটার তাও খোঁজ করছে পুলিশ।