দ্য ওয়াল ব্যুরো: দক্ষিণেশ্বরে হয়েছে। কিন্তু এখনও বঞ্চিত কালীঘাট। কালীঘাটে নতুন স্কাইওয়াক নির্মাণ নিয়ে বিতর্ক বহুদিনের। নানা জটিলতায় দীর্ঘ দিন ধরে এই কাজ আটকে রয়েছে। মূলত হকারদের সমস্যায় জর্জরিত কালীঘাট স্কাইওয়াক প্রকল্প। এদিন সেখানে গিয়েই বিক্ষোভের মুখে পড়তে হল কলকাতা পুরসভার মুখ্য প্রশাসক ফিরহাদ হাকিমকে।
এদিন কালীঘাটের হকারদের জন্য নির্মিত নতুন স্টল এবং সামগ্রিক পরিস্থিতি পরিদর্শনে গিয়েছিলেন ফিরহাদ। কিন্তু তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান হকারদের একাংশ। অভিযোগ, নতুন স্টল বন্টনের ক্ষেত্রে দুর্নীতি হয়েছে। লটারির মাধ্যমে সকলে স্টল পাননি। ভাল কাঙ্ক্ষিত জায়গায় স্টল পাওয়া নিয়েও সমস্যা দেখা দিয়েছে।
কালীঘাটের হকারদের ইতিমধ্যেই হাজরা পার্কে অস্থায়ী দোকান দেওয়া হয়েছে। মোট ১৮০ জনের মধ্যে দোকান পেয়ে গিয়েছেন ১৫৪ জন হকার। লটারির মাধ্যমে দোকান পেয়েছেন তাঁরা। তবে বাকি ২০-২৫ জনকে নিয়েই দানা বেঁধেছে জটিলতা।
কালীঘাট হকার্স কর্নার নামের হকারদের নিজস্ব কমিটিই এই লটারির আয়োজন করেছিল বলে জানিয়েছেন ববি হাকিম। যাঁরা লটারি অনুযায়ী দোকান নিতে অস্বীকার করেছেন তাঁদের সঙ্গে এদিন বৈঠক করেন তিনি। আগামী ৩০ জুলাইয়ের মধ্যে তাঁরা যেন হাজরা পার্কে চলে আসেন, এই মর্মে বিদ্রোহী হকারদের আর্জিও জানিয়েছেন ফিরহাদ।
হকারদের দাবি, নতুন জায়গায় স্টল স্থানান্তরিত করতে হলে অনেক টাকা খরচ হবে। তাঁদের কাছে সেই খরচের সামর্থ্য নেই। এরপরই প্রত্যেক হকারকে ১০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানান ফিরহাদ। কিন্তু তাতে চিড়ে ভেজেনি। তার পরেও তৃণমূল বিধায়ককে ঘিরে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন হকাররা।
আগামী দিনে কালীঘাটে স্কাইওয়াক চালু হলে পুনরায় লটারি হবে বলে খবর। আবার লটারির মাধ্যমেই দোকানের জায়গা বেছে নিতে হবে হকারদের। দ্রুত হকার সমস্যা মিটিয়ে ফেলার জানিয়েছেন ফিরহাদ হাকিম। আপাতত কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি।