
ব্রাত্য বসু।
শেষ আপডেট: 2 February 2025 14:07
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আদালতের নির্দেশের পরও যোগেশচন্দ্র ল'কলেজের ছাত্রীদের বহিরাগতরা হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ। পুলিশি ঘেরাটোপের মধ্যেও এদিন নতুন করে কয়েকজন ছাত্রীকে হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ।
মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে এদিন দুপুরে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু কলেজে পৌঁছতেই তাঁকে ঘিরে স্লোগান দিতে শুরু করেন পড়ুয়ারা। স্লোগান ওঠে, 'উই ওয়ান্ট জাস্টিস'। শিক্ষামন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে এক ছাত্রীকে বলতে শোনা যায়, "আজ তো পুলিশ রয়েছে। কালকে থাকবে না। তখন কী হবে?" এরপরই পড়ুয়াদের চারজন প্রতিনিধিকে ডেকে নিয়ে প্রিন্সিপালের ঘরে বৈঠকে বসেছেন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু।
এক সময় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কলেজের ছাত্রী ছিলেন। সেই যোগেশচন্দ্র চৌধুরী আইন কলেজেই সরস্বতীপুজোর প্রস্তুতিতে বাধা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। শুধু তাই নয়, ধর্ষণের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে তৃণমূল ছাত্র পরিষদের এক নেতা এবং তাঁর দলবলের বিরুদ্ধে। এবিষয়ে মামলা গড়িয়েছিল কলকাতা হাইকোর্টে। ওই মামলাতেই পুলিশি ঘেরাটোপে সরস্বতী পুজোর নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।
আদালতের নির্দেশে পুজো শুরু হলেও সেখানে সামনে এসেছে আমরা-ওরার ছবিটা। ল'বিভাগের পুজো হচ্ছে কলেজের ভেতরে। আর ডে বিভাগের পুজো হচ্ছে কলেজের পাশের গলিতে। অভিযোগ ডে কলেজের পাশ করা পড়ুয়ারাই ল'কলেজের পড়ুয়াদের হুমকি দিচ্ছে।
সূত্রের খবর এ ব্যাপারে যোগেশচন্দ্র কলেজ নিয়ে ইতিমধ্যে শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর কাছে রিপোর্ট চেয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরই এদিন দুপুরে যোগেশচন্দ্র কলেজে যান ব্রাত্য। তাঁকে কাছে পেয়েই নিরাপত্তার দাবিতে সরব হয়ে ওঠেন পড়ুয়ারা। এরপরই পড়ুয়াদের নিয়ে বৈঠকে বসেছেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী।
আদালতের নির্দেশে এদিন সকাল থেকেই কলেজ চত্বরে রয়েছে পর্যাপ্ত সংখ্যক সশস্ত্র পুলিশকর্মী। আইকার্ড দেখে তবেই পড়ুয়াদের কলেজে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে। আদালতের নির্দেশে গোটা পুজোর ভিডিওগ্রাফি করছে কলেজ কর্তৃপক্ষও।