খবর পেয়ে প্রথমে প্রতীক জৈনের (pratik jain ipac) বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee.)। পরে তিনি পৌঁছন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা। পরে সেখানে হাজির হন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।

গ্রাফিক্স-দ্য ওয়াল।
শেষ আপডেট: 8 January 2026 13:12
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইডির অভিযানে (ED raids ipac Kolkata) বৃহস্পতিবার বেলা ১২টা থেকে সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের অফিসের সামনে টানটান উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত সিআরপিএফের পাশাপাশি বিপুল সংখ্যক র্যাফ।
সূত্রের খবর, কোনও রকম অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতেই আইপ্যাকের অফিস চত্বরে নিরাপত্তা বলয় আরও আঁটসাঁট করা হয়েছে। এমনকী পরিস্থিতির মোকাবিলায় আনা হয়েছে পর্যাপ্ত পরিমাণ কাঁদানে গ্যাসও। এক কর্তার কথায়, "অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ঠেকাতে সব ধরনের প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।"
সোমবার সকালে কলকাতায় আইপ্যাকের অফিসে হানা দেয় ইডি। একই সঙ্গে সংস্থার কর্ণধার প্রতীক জৈনের বাড়িতেও শুরু হয় তল্লাশি। সেই খবর ছড়াতেই রাজ্য রাজনীতিতে চাঞ্চল্য ছড়ায়। খবর পেয়ে প্রথমে প্রতীক জৈনের (pratik jain ipac) বাড়িতে যান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee.)। পরে তিনি পৌঁছন সল্টলেকের সেক্টর ফাইভে আইপ্যাকের দফতরে। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন কলকাতা পুলিশের কমিশনার মনোজ ভার্মা। পরে সেখানে হাজির হন রাজ্য পুলিশের ডিজি রাজীব কুমার।
ঘটনাচক্রে আইপ্যাকের সেক্টর ফাইভের অফিসে পৌঁছন বিধাননগরের মেয়র কৃষ্ণা চক্রবর্তী, রাজ্যের মন্ত্রী সুজিত বসু এবং বিধাননগরের পুলিশ কমিশনারও। দফতরের বাইরে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকেরা স্লোগান দিতে থাকেন। পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আইপ্যাকের অফিসের সামনে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তার বহর আরও বাড়ানো হয়। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত মহিলা পুলিশও। সূত্রের দাবি, উত্তেজনার আঁচ যাতে আর না ছড়ায়, সেই কারণেই নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও কড়া করা হয়েছে।
ইডির এই অভিযানকে ঘিরে রাজ্য রাজনীতিতে নতুন করে তরজা শুরু হয়েছে। ভোটের মুখে বিজেপি কেন্দ্রীয তদন্তকারী সংস্থাকে দলীয় স্বার্থে করছে বলে সরব হয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এ ব্যাপারে সরাসরি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিশানা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, 'নটি হোম মিনিস্টার, ন্যাসটি হোম মিনিস্টার, যিনি দেশকে রক্ষা করতে পারেন না।' "তারা আমার দলের সব তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হচ্ছে। যদি আমি বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে তল্লাশি চালাই তাহলে কী হবে?"
যার জবাবে শুভেন্দু রাজ্যের বিরুদ্ধেই প্রতিহিংসার অভিযোগ এনেছেন। শুভেন্দু বলেন, "আমার বাড়িতে সিআইডি পাঠিয়েছিলেন। আমার প্রবীণ মা,বাবাকে হেনস্থা করেছেন। আসামী খোঁজার নামে নন্দীগ্রাম পার্টি অফিসে তল্লাশি চালিয়ে সব কিছু তছনছ করেছেন। ওনার মুখে প্রতিহিংসার কথা মানায় না।"