
শেষ আপডেট: 30 September 2024 12:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডক্টরস ফোরামের মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট। ১লা অক্টোবর বিকেল ৫টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত এই মিছিলের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। মিছিল শুরু হবে কলেজ স্কোয়্যার থেকে। রবীন্দ্রসদন পর্যন্ত এই মিছিলের অনুমতি আগেই দিয়েছে পুলিশ। কিন্তু বৌবাজার, হেয়ার স্ট্রিট, এবং ট্রাফিক হেড কোয়াটার তিনটি থানার অন্তর্গত কেসি দাস থেকে ভিক্টোরিয়া হাউস পর্যন্ত ৫০মিটার রাস্তা ১৪৪ ধারা জারি থাকায় সেখানে মিছিল করা যাবে না বলে বলা হয়েছিল।
সোমবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানতে চান কত মানুষের জমায়েত হতে পারে? মিছিলের উদ্যোক্তাদের তরফে আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য জানান, বহু মানুষের জমায়েত হবে। সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষ এই মিছিলে অংশগ্রহণ করবে। এরপরেই বিচারপতি জানান, জমায়েত ও মিছিলে কত মানুষ অংশ নেবেন সেটা প্রশাসনের জানা প্রয়োজন কারণ তাঁদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে। এরপরেই আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন,"কলকাতা পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিস্তারিত তথ্য জানিয়ে দেওয়া হবে।"
শুনানি চলাকালীন অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, মিছিলের জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে অনুমতি দেওয়া হয়েছে। কিন্ত কত মানুষের জমায়েত হবে, সেটা এখনও স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে। পুলিশ মিছিলে বাধা দেবে না। কিন্তু প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই শান্তিপূর্ণভাবে মিছিল করতে হবে চিকিৎসক ও সাধারণ মানুষকে।
এরপরেই বিচারপতি রাজর্ষি ভরদ্বাজ জানতে চান, মানুষের শান্তিপূর্ণ মিছিলে অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে পুলিশের নিয়মাবলী কী? কোন কোন ক্ষেত্রে পুলিশ বাধা দিতে পারে? অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, "মিছিল শান্তিপূর্ণ ভাবে হবে। তবে দুর্ভাগ্যক্রমে যদি কোনও দুর্ঘটনা ঘটে সে ক্ষেত্রে তাঁদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে আসরে পুলিশকেই নামতে হবে। তাই সংখ্যাটা জানা থাকলে পুলিশের সুবিধা।"
অ্যাডভোকেট জেনারেলের এই বক্তব্যের প্রেক্ষিতে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, "মিছিলে ১০০ ভলেন্টিয়ার থাকবে। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ রয়েছে শান্তিপূর্ণ মিছিলে বাধা দিতে পারবে না পুলিশ।"
অ্যাডভোকেট জেনারেল বলেন, "কত মানুষের জমায়েত? কোথায় জমায়েত এবং মিছিল কোন রাস্তা দিয়ে যাবে, কোথায় শেষ করবে? মানুষের ভিড় বাড়ছে ধর্মতলা চত্বরে। মানুষের বাড়ি ফেরার সময় ট্রাফিক সমস্যা যাতে না হয় সেটাও দেখা প্রশাসনের কাজ।"
বিচারপতি প্রশ্ন তোলেন, "দুর্গা পুজোর সময় মণ্ডপগুলিতে কত মানুষের জমায়েত হয় বা হতে পারে সেটা কি পুলিশকে জানান উদ্যোক্তারা? সেই সময় পুলিশ তাদের সামাল দেয় কীভাবে? আমি নিজে দেখেছি কলকাতার বড় পুজো মণ্ডপগুলিতে পুলিশের থেকে বড় ভূমিকা নেন স্বেচ্ছাসেবকরাই। তাঁরাই সামলান।