
শেষ আপডেট: 25 September 2021 07:56
আরও লিখেছেন, ‘মমতা ব্যানার্জির বাসভবন থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে অবস্থিত এই পার্টি অফিসটি জ্বালিয়ে দেয় তৃণমূল সমর্থকরা। আজও জোর করে তালাবন্ধ রেখেছে, খুলতে দেয়নি অফিসটি।’ দিলীপবাবু অফিসটির বাইরে দিনদয়াল উপাধ্যায়ের ছবিতে মালা দেন। তবে অফিস খুলতে না দেওয়া নিয়ে এদিন কোনও প্রতিবাদে শামিল হননি।
কদিন আগেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে চায়ের নিমন্ত্রণ (invitation) করেছিলেন। তবে বাড়িতে নয়, নবান্নে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী কি এদিন জানতে পেরেছিলেন দিলীপ ঘোষ তাঁর পাড়াতেই দলের কাজে গিয়েছেন?
তৃণমূলের একাংশের বক্তব্য, রাজনীতি ছাড়াও দিদির কাছ থেকে যা সবচেয়ে বেশি শিক্ষনীয় তা হল, সৌজন্য। দিদি যদি জানতেন তাহলে বাড়িতে ডেকেই চা খাওয়াতেন দিলীপবাবুকে।
অন্যদিকে, বিজেপিতে দিলীপ অনুগামীদের বক্তব্য, ডাক এলে দাদা নিশ্চয়ই যেতেন। যতই ভবানীপুরের ভোট থাক না কেন, রাজনীতি আর ব্যক্তিগত সম্পর্ককে মিশিয়ে ফেলেন না দিলীপদা। তাছাড়া, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে দিলীপদাকে পছন্দ করেন, আগেও তা বোঝা গিয়েছে। বছর তিনেক আগে দিলীপদা কোমরের সমস্যা নিয়ে নার্সিংহোমে ভর্তি হলে ছুটে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। আর স্বাধীনতা দিবসে রাজভবনের অনুষ্ঠানে তো গোটা বিজেপি শিবির হাজির ছিল। দিদি চায়ের নিমন্ত্রণ করেছেন শুধু দিলীপদাকেই।