৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় এসএনইউ-র ছাত্রছাত্রীদের ক্যামেরায় বন্দি প্রতিটি রঙিন মুহূর্ত। লাইভ, রিলস আর রিয়েল-টাইম কনটেন্টে বইমেলার গল্প পৌঁছে গেল দূরদূরান্তে।

ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 7 February 2026 11:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বইপ্রেমীদের কাছে আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলা মানেই এক অনন্য উৎসব। বইয়ের সারি, আলোচনার ভিড় আর মেলার নিজস্ব গন্ধের মাঝেই প্রতি বছর তৈরি হয় এক আলাদা আবহ। তবে ৪৯তম আন্তর্জাতিক কলকাতা বইমেলায় সেই চিরচেনা আবহের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক ডিজিটাল ছোঁয়া। টানা পঞ্চম বছরের মতো এই বইমেলার অফিসিয়াল ডিজিটাল পার্টনার হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি (SNU)
মেলার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল একটি বিশেষ প্রোডাকশন কন্ট্রোল রুম (PCR), যাকে বলা যায় পুরো বইমেলার ডিজিটাল হৃদস্পন্দন। এই ঘর থেকেই মুহূর্তে মুহূর্তে তৈরি হয়েছে কনটেন্ট, নোবেলজয়ী থেকে শুরু করে জনপ্রিয় লেখক, বই প্রকাশ থেকে শুরু করে হঠাৎ গানের আসর—সবকিছুই ক্যামেরাবন্দি করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এটি শুধু একটি মিডিয়া অনুশীলন নয়, বরং ২৪ ঘণ্টা সক্রিয় একটি ডিজিটাল কনটেন্ট ইঞ্জিন হিসেবেই কাজ করেছে।
এ বছর বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ার রিলস ও লাইভ কনটেন্ট। বইমেলার নানা অনুষ্ঠান, আলোচনা ও জনসমাগমের রোমাঞ্চ রিয়েল-টাইমে তুলে ধরা হয়েছে ডিজিটাল মাধ্যমে। প্রতিদিন সন্ধ্যা নামলেই মেলার অলিগলি থেকে শুরু হতো লাইভ সম্প্রচার, যাতে দূরে থাকা দর্শকরাও অনুভব করতে পারেন বইমেলার উন্মাদনা।
আয়োজকদের মতে, সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি শুধু বইমেলাকে নথিভুক্ত করেনি, বরং তাকে আরও মানবিক করে তুলেছে। প্রজন্মের কণ্ঠস্বর আর প্রযুক্তির মেলবন্ধনে বইমেলার গল্প পৌঁছে গেছে দেশ-বিদেশের দর্শকদের কাছে। প্রমাণ করে দিয়েছে, গল্প কাগজে লেখা হলেও, ডিজিটাল যুগে তা বেঁচে ওঠে নতুন প্রজন্মের হাত ধরেই।