
গার্ডেনরিচ দুর্ঘটনাস্থল - ফাইল চিত্র
শেষ আপডেট: 22 March 2024 09:13
দ্য ওয়াল ব্যুরো: গত রবিবার মধ্যরাতে গার্ডেনরিচে একটি বেআইনি নির্মাণ ভেঙে পড়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটে। বৃহস্পতিবার পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছিল। কিন্তু দুর্ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় উদ্ধার হল আরও একটি মৃতদেহ। গার্ডেনরিচ কাণ্ডে মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১১। মৃতের নাম আবদুল রউফ নিজামি।
বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজ শেষের পথে বলে জানানো হয়েছিল। ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তবে শেষ মুহূর্তের উদ্ধারকাজ চলার সময়ই এই মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। মৃত ব্যক্তি এলাকায় 'শেরু চাচা' বলে পরিচিত ছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, দুর্ঘটনার সময়ে ওই বহুতলের আশেপাশেই কাজ করছিলেন তিনি। বহুতল ভেঙে পড়ার পরেই ধ্বংসস্তূপের নীচে চাপা পড়ে যান তিনি।
দুর্ঘটনা ঘটে যাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তাঁর সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেছিল স্থানীয়রা। জানা গেছে তিনি তাদের জবাবও দিয়েছিলেন। কিন্তু ওই ব্যক্তি ঠিক কোনখানে চাপা পড়ে আছেন তা নিশ্চিত করা যাচ্ছিল না। বৃহস্পতিবার উদ্ধারকাজ শেষে ধ্বংসস্তূপ সরানোর কাজ শুরু হলে ওই ব্যক্তি দেহ দেখতে পান উদ্ধারকারীরা। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। কিন্তু চিকিৎসকরা জানান, আগেই তাঁর মৃত্যু হয়েছে।
যে বহুতল ভেঙে পড়েছে তার প্রোমোটার ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, মৃত ব্যক্তিও ওই বহুতলের প্রোমোটিংয়ের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। যদিও তাঁর পরিবারের লোকেদের দাবি, বহুতলটিতে বিদ্যুতের কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। রবিবারও সেই কাজের জন্যই গিয়েছিলেন। উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে মৃতদের পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা এবং আহতদের ২ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে ঘোষণা করেছিলেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম।