
ধৃত সঞ্জয় রায়।
শেষ আপডেট: 6 September 2024 20:49
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রী খুনের প্রতিবাদে দিকে দিকে স্লোগান উঠছে জাস্টিস ফর আরজি কর। অথচ ওই মামলায় শুক্রবার নির্ধারিত সময়ে আদালতে দেখা গেল না সিবিআইয়ের আইনজীবীকে। যা নিয়ে ক্ষুব্ধ বিচারককে একথাও বলতে শোনা গেল, 'জামিন দিয়ে দেব?'
পরে অবশ্য সিবিআইয়ের দাবি মেনে আরজি করে ডাক্তারি ছাত্রীকে ধর্ষম-খুনের অভিযোগে ধৃত সঞ্জয় রায়কে ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।
আরজি কর হাসপাতালের ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় একজনই গ্রেফতার হয়েছে। কলকাতা পুলিশ ঘটনার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সিভিক ভলেন্টিয়ার সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল। পরে সিবিআই তদন্তভার হাতে নেওয়ার পর তাঁকে হস্তান্তর করা হয়। শিয়ালদহ আদালত সঞ্জয়কে ১৪ দিনের জন্য জেল হেফাজতে পাঠিয়েছিল। সেই মেয়াদ শেষে শুক্রবার সঞ্জয়কে আদালতে হাজির করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।
নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হয়ে যান বিচারকও। চলে আসেন অভিযুক্তর আইনজীবীও। কিন্তু সিবআইয়ের আইনজীবী কই? তাঁকে দেখতে না পেয়ে খোঁজ করেন স্বয়ং বিচারক। সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে শুনানিতে যিনি ছিলেন, তিনি সহকারী তদন্তকারী আধিকারিক হিসাবে নিজের পরিচয় দেন।
তবে আদালতে সিবিআইয়ের পক্ষ থেকে তাঁর কিছু বলার অনুমতি আছে কি না, সেই প্রশ্ন তোলেন ধৃতের আইনজীবী। এরপরই সিবিআয়ের উদ্দেশে ক্ষুব্ধ বিচারককে বলতে শোনা যায়, "মামলার আইনজীবীই শুনানিতে নেই! জামিন দিয়ে দেব?'
আদালত সূত্রের খবর, প্রায় ৪০ মিনিট পর বিচারকের এজলাসে হাজির হন সিবিআইয়ের আইনজীবী। সিবিআইয়ের তরফে এদিন ধৃতর১৪ দিনের জেল হেফাজতের আবেদন জানানো হয়। বিচারক ২০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
তবে আরজি করের মতো গুরুত্বপূর্ণ মামলায় সিবিআইয়ের আইনজীবীর অনুপস্থিতি নিয়ে বিচারকের পাশাপাশি আদালত চত্বরে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা যায় অন্য আইনজীবীদেরও। এ ব্যাপারে সিবিআইয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া অবশ্য এখনও জানা যায়নি।