
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 26 November 2024 02:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি করে ডাক্তার পড়ুয়াকে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার তদন্তে গতি আনতে বড় পদক্ষেপ কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইয়ের। সময় যত গড়াচ্ছে, জুনিয়র ডাক্তারদের পাশাপাশি তদন্তে গতি আনার দাবিতে সরব হয়েছে সব মহল। নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত নিয়েও উঠেছে প্রশ্ন। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালের বিরুদ্ধেও কম অভিযোগ ওঠেনি। এবার গুণমান খতিয়ে দেখতে ১০টি দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট চেয়ে পাঠাল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।
নির্যাতিতার মৃত্যুর আগে ও পরের পাঁচটি করে দেহের ময়নাতদন্ত রিপোর্ট আরজি কর হাসপাতালের কাছে চেয়ে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। নির্দেশ মেনে সিবিআইকে মোট ১০টি দেহের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাঠাবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।
কেন এমন ভাবনা কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের?
সিবিআই সূত্রে খবর, ১০টি রিপোর্টের সঙ্গে আরজি করে নির্যাতিতার ময়নাতদন্ত রিপোর্ট মিলিয়ে দেখা হবে। হাসপাতালের তরফে সত্যিই কোনও ইচ্ছাকৃত গাফিলতি হয়েছিল কী না? তা জানার জন্যই এমন ভাবনা। পাশাপাশি হাসপাতালে যাদের ময়নাতদন্ত হয় সেই নমুনায় কোনও গাফিলতি হয় কী না তা খতিয়ে দেখা হবে। এছাড়া অন্যান্য হাসপাতালের ময়নাতদন্তের রিপোর্টের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হবে।
ঘটনার তদন্তে নেমে এর আগে ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক অপূর্ব বিশ্বাসকে বেশ কয়েক দফায় জেরা করেছে সিবিআই। জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে আরজি করের মর্গের এক কর্মীকেও।
রিপোর্ট অনুযায়ী, আরজি কর কাণ্ডে তদন্তের দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের দাবি, ময়নাতদন্তের যে ভিডিয়োগ্রাফি হয়েছে, তার মান খুবই খারাপ। এই আবহে মৃতদেহে আঘাতের চিহ্ন স্পষ্ট ভাবে বোঝাই যাচ্ছে না। এই আবহে প্রশ্ন উঠছে, এই ত্রুটি কি ইচ্ছে করে ঘটানো হয়েছে? এই আবহে সিবিআই সন্দেহ করছে, সত্যিকে আড়াল করতেই ময়নাতদন্তের প্রক্রিয়ায় ত্রুটি হয়ে থাকতে পারে।
কেন্দ্রীয় তদন্তকারীদের আরও দাবি মাত্র ১ ঘণ্টা ১০ মিনিটে ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। সেদিন আরজি করে মোট আটটি দেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছিল, কিন্তু তরুণী ডাক্তারের ময়নাতদন্তেই নাকি সবচেয়ে কম সময় লেগেছিল।