
প্রস্তাবিত সুড়ঙ্গ
শেষ আপডেট: 22 December 2024 14:51
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতা পথ দেখিয়েছে। দেশের মধ্যে প্রথম শহর যেখানে জলের নীচ দিয়ে মেট্রো ছুটছে। দ্য ওয়াল আগেই খবর করেছিল যে সবকিছু ঠিক থাকলে মেট্রোর পর গঙ্গার নীচ দিয়ে ছুটবে পণ্যবাহী যানবাহনও! ইতিমধ্যে প্রাথমিক সমীক্ষার কাজও সেরে ফেলেছে কেন্দ্রীয় সরকার।
কিছুদিন আগেই বাণিজ্য নগরী মুম্বইতে সমুদ্রের তলা তৈরি হয়েছে এই ধরনের টানেল। চলতি বছরেই যার দরজা খুলেছে জনসাধারণের জন্য।
কলকাতা থেকে হাওড়ার যোগাযোগের মাধ্যম বলতে হাওড়ার রবীন্দ্র এবং হুগলির বিদ্যাসাগর সেতু। এছাড়াও বালিতে রয়েছে দুটি সেতু। ব্যস্ত সময়ে এই সেতুগুলিতে যানজট নিত্যদিনকার ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ফলে বিকল্প রাস্তা হিসেবে গঙ্গার নীচ দিয়ে সুড়ঙ্গ তৈরি করা যায় কিনা, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সমীক্ষা চালায় কেন্দ্রীয় বন্দর, জাহাজ এবং জল পরিবহণ মন্ত্রক।
কলকাতা বন্দর থেকে হাওড়ার জাতীয় সড়ক পর্যন্ত ১৫ কিলোমিটার রাস্তা তৈরি করা হবে। এর মধ্যে ৮ কিলোমিটার থাকবে সুড়ঙ্গ পথ। এজন্য মোট ১১ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। তবে গঙ্গার কোন অংশ দিয়ে এই সুড়ঙ্গ যাবে তা চূড়ান্ত না হলেও কীভাবে, কোন প্রক্রিয়া, কোন ছকে তৈরি হবে টানেল তার কাজ নাকি শুরু হয়ে গিয়েছে।
২০৩০ সালের মধ্যেই কাজ শেষের লক্ষ মাত্রা নেওয়া হচ্ছে। মোদ্দা কথা যদি তার মধ্যে কাজ শেষ হয় তাহলে হাওড়া-কলকাতার বড় অংশে ট্র্যাফিকের চাপ অনেকটাই কমে যাবে।
ট্র্যাফিকের চাপ সামলে সাঁতরাগাছি, হুগলি ব্রিজ হয়ে কলকাতা ঢুকতে কম করে এক ঘণ্টা তো লেগেই যায়। এই টানেল হলে সময়টা ১৫ থেকে ২০ মিনিটে এসে দাঁড়াবে বলে মনে করা হচ্ছে। চাপ কমবে দিল্লি রোড থেকে শুরু করে ডানকুনি-কলকাতাগামী রাস্তাতেও।