
শেষ আপডেট: 23 August 2024 13:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ট্য়াক্সিতে গ্যাস নিতে দেরি হচ্ছিল। তাই নিয়ে শুরু হয়েছিল বচসা। কথাতেই থেমে থাকেননি চালক। অভিযোগ, রাগে অন্ধ হয়ে খুনই করে ফেললেন মহিলাকে। পাশে বসা পাঁচবছরের ছোট্ট নাতি যদি চিনিয়ে দেয় আততায়ীকে, তাই রেয়াত করা হয়নি তাঁকেও। আনন্দপুরে মহিলা খুনের ঘটনায় ট্যাক্সি চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করে এই তথ্য সামনে এসেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বুধবার সকালে আনন্দপুর থেকে মিলেছিল এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ। এলাকার একটি ঝোপের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল দেহটি। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে। ভোর ৬টা নাগাদ বাসিন্দাদের অনেকেই তখন হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। তাদেরই কয়েকজনের নজরে পড়ে। মহিলার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাই আবারও কি ধর্ষণ করে খুন! সে প্রশ্নও ওঠে। প্রাথমিকভাবে তাঁর নাম পরিচয় জানা না গেলেও পরে জানা যায় তিনি নারকেলডাঙার বাসিন্দা। একদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দপুরেই একটি খালে ভেসে ওঠে ওই মহিলার পাঁচ বছরের নাতির দেহ।
তদন্তে নেমে এক ট্যাক্সি চালক ও তার নাবালক সঙ্গীকে গ্রেফতার করে পুলিশ। দায়ের হয় খুনের অভিযোগ। বুধবার মহিলার দেহ উদ্ধারের পর থেকে খোঁজ মিলছিল না তাঁর ৫ বছরের নাতিরও। ওই মহিলার বাড়ির লোকজন জানান, নাতিকে নিয়েই বেরিয়েছিলেন তাঁর দিদা। শিশুটির খোঁজ শুরু করে পুলিশ। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দপুর খাল থেকে উদ্ধার হয় ৫ বছরের শিশুটির দেহ। ধৃতদের জেরা করেই খোঁজ মেলে। দুজনকেই গাড়ির মধ্যেই খুন করা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে পুলিশ। নারকেলডাঙার বাসিন্দা ওই মহিলার তিলজলাতেও একটি বাড়ি আছে। ওই ট্যাক্সিতে করেই নারকেলডাঙার বাড়ি থেকে তিলতলায় যাতায়াত করতেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি না ফেরায় খোঁজ শুরু করেন বাড়ির লোক। পরেরদিন আনন্দপুর থেকে দেহ উদ্ধার হয়।