
শিশুপুত্রের দেহও পাওয়া গেল খালে
শেষ আপডেট: 22 August 2024 15:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকালে আনন্দপুর থেকে মিলেছিল এক মহিলার রক্তাক্ত দেহ। প্রাথমিকভাবে তাঁর নাম পরিচয় জানা না গেলেও পরে জানা যায় তিনি নারকেলডাঙার বাসিন্দা। এবার মিলল তাঁর পাঁচ বছরের সন্তানের দেহও। বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দপুর খাল থেকেই উদ্ধার হয় ওই শিশুপুত্রের দেহ।
আরজি করে ডাক্তারির ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় এখনও শহরজুড়ে প্রতিবাদের ঢেউ। তারই মধ্যে বুধবার সকালে আনন্দপুর থেকে উদ্ধার হয় এক মহিলার ক্ষতবিক্ষত দেহ। একটি ঝোপের ধারে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়েছিল দেহটি। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় শোরগোল পড়ে। ভোর ৬টা নাগাদ বাসিন্দাদের অনেকেই তখন হাঁটতে বেরিয়েছিলেন। তাদেরই কয়েকজনের নজরে পড়ে। মহিলার শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল। তাই আবারও কি ধর্ষণ করে খুন! সে প্রশ্নও ওঠে।
খবর পেয়ে আনন্দপুর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠায়। ওই মহিলাকে ওখানেই খুন করা হয়েছে, না অন্য কোথাও মেরে এখানে দেহ ফেলে যাওয়া হয়েছে সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা শুরু হয়। পরে জানা যায়, ওই মহিলা নারকেলডাঙার বাসিন্দা। তদন্তে নেমে এক ট্যাক্সি চালককে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধেই ওঠে খুনের অভিযোগ।
তবে মহিলার দেহ উদ্ধারের পর থেকেই খোঁজ মিলছিল না তাঁর ৫ বছরের সন্তানের। অভিযুক্ত গ্রেফতার হওয়ার পরও শিশুটির হদিশ পায়নি পুলিশ। তন্নতন্ন করে চলে খোঁজ। শেষ পর্যন্ত বৃহস্পতিবার সকালে আনন্দপুর খাল থেকে উদ্ধার হয় ৫ বছরের শিশুটির দেহ। জানা গেছে মায়ের সঙ্গেই গাড়িতে ছিল সে। পুলিশ জানিয়েছে, গাড়ির মধ্যেই খুন করা হয়েছে মহিলা ও তাঁর সন্তানকে।
তদন্তে নেমে পুলিশ জানতে পারে, নারকেলডাঙার বাসিন্দা ওই মহিলার তিলজলাতেও একটি বাড়ি আছে। একটি ট্যাক্সিতে চেপে নারকেলডাঙার বাড়ি থেকে তিলতলায় যাতায়াত করতেন তিনি। মঙ্গলবার রাতে বাড়ি না ফেরায় খোঁজ শুরু করে বাড়ির লোক। এরপরই উদ্ধার হয় মহিলার দেহ।