
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 12 July 2024 16:20
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর কলকাতায় ভয়াবহ ঘটনা। কড়েয়া থানা এলাকায় রক্তাক্ত অবস্থায় এক যুবকের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। যুবকের দেহে রয়েছে একাধিক আঘাতের চিহ্ন। তদন্তে নেমেছে পুলিশ।
নিহত যুবকের নাম সামশের আলি। স্থানীয় সূত্রের খবর, বছর আটত্রিশের ওই যুবক পেশায় ঠিকা কনট্রাক্টর। কড়েয়া থানা এলাকার কোয়েস্ট মলের পিছন দিকে সামসুল হুদা রোডের কাশিয়াবাগান মাঠ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা সামশের। শুক্রবার দুপুর ১২টা ৪০ মিনিট নাগাদ বন্ধ ঘর থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। পাশে পড়ে ছিল একটি চপার। খুন করা হয়েছে বলে সন্দেহ পরিবার ও প্রতিবেশীদের।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সামশেরের পরিবার যেখানে থাকত তার কাছেই একটি পৃথক বাড়িতে থাকতেন তিনি। বৃহস্পতিবার রাতে আলাদা বাড়িটিতে একা ছিলেন সামশের। শুক্রবার সকালে ওই বাড়িতে খোঁজ করতে যান তাঁর স্ত্রী। সেখানে গিয়ে তিনি দেখেন, বাইরে থেকে তালা দেওয়া। যা দেখেই সন্দেহ হয় তাঁর। এরপর আশেপাশের লোকজনকে ডেকে দরজা ভাঙা ভিতরে প্রবেশ করে রক্তাক্ত অবস্থায় যুবককে পড়ে থাকতে দেখেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে কড়েয়া থানার পুলিশ। পৌঁছয় কলকাতা পুলিশের হোমিসাইড শাখার আধিকারিকরাও। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন সাউথ ইস্ট ডিভিশনের ডেপুটি কমিশনার অফ পুলিশ ভোলানাথ পান্ডে। ফরেনসিক আধিকারিকরা ঘটনাস্থলের নমুনা সংগ্রহ করেন। ইতিমধ্যে দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়েছে। খুন নাকি আত্মহত্যা, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা।
এদিকে সামসের আলির মৃত্যুর পর থেকেই তাঁর এক সহকর্মীর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। রাহুল নামে 'নিখোঁজ' ওই সহকর্মীর সামসেরের খুনের সঙ্গে যোগ রয়েছে বলে সন্দেহ পরিবারের। পুলিশ অভিযুক্তের খোঁজ চালাচ্ছে।
একইসঙ্গে যে বাড়ি থেকে মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে তার সিসিটিভি ঢাকা ছিল। তাই পুলিশের অনুমান, পূর্ব পরিকল্পিতভাবেই ওই যুবককে খুন করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে রাতে ঘরে ঢুকে কেউ খুন করে থাকতে পারে। পরিচিত কেউ বা কারা ওই ব্যক্তির ওপর হামলা চালিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ পুলিশের। প্রতিবেশী ও আত্মীয়স্বজনদের জিজ্ঞাসাবাদ করছে পুলিশ। এলাকার সিসি ক্যামেরা ফুটেজও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।