
ডাঃ সন্দীপ ঘোষ
শেষ আপডেট: 19 August 2024 16:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: আরজি কর হাসপাতালের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ডাঃ সন্দীপ ঘোষের আচরণ নিয়ে অভিযোগের পাহাড় জমেছে। হাসপাতালের গেস্ট হাউজকে তিনি মোচ্ছবের আখাড়ায় পরিণত করেছিলেন বলে খোদ শাসক দলের সাংসদও সরব। এ হেন সন্দীপের ঘুম কেড়ে নিয়েছে সিবিআই। সূত্রের খবর, লাগাতার চারদিন ধরে জেরায় সন্দীপকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে মৌলিক কতগুলি প্রশ্ন করে যাচ্ছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।
সিবিআই জানতে চেয়েছে, চিকিৎসকের মৃত্যুকে তড়িঘড়ি কেন আত্মহত্যা ঘোষণা করে দেওয়া হল? মৃতার শরীর দেখে মোটেই বোঝা যাচ্ছিল না যে এই অস্বাভাবিক মৃত্যুর সঠিক কারণ কী? তাহলে কীসের ভিত্তিতে এই উপসংহারে পৌঁছেছিলেন সন্দীপ ঘোষরা?
সন্দীপ ঘোষ নিজে একজন চিকিৎসক। তাঁর কি একবারও মনে হয়নি, যেখানে অপরাধের ঘটনা ঘটেছে সেই স্থানকে সুরক্ষিত রাখা। যাতে তথ্য প্রমাণ নষ্ট না হয়।
তিন, অপরাধের ঘটনা যেখানে ঘটেছে, সেই স্থান সুরক্ষিত রাখা জরুরি। তা না রাখাটা অপরাধ। তা জেনেও তদন্তকারী অফিসাররা সেখানে পৌঁছনোর আগে কেন ওই স্থান সুরক্ষিত রাখা হয়নি।
চার, কার পরামর্শ শুনে মৃতার পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছিল এবং ভুল তথ্য দেওয়া হয়েছিল চিকিৎসকের পরিবারকে?
পাঁচ, মৃত্যুর ঘটনা জানাজানি হওয়ার পর পরিবারকে খবর দিতে দেরি করা হল কেন? কোনও সুনির্দিষ্ট কারণ ছিল কি?
ছয়, ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ার সঞ্জয় রায়ের আরজি কর হাসপাতালে অবাধ যাতায়াত ছিল। ঘটনার দিন সন্ধে থেকে তিন বার সে হাসপাতালে অবাধে ঢুকেছিল। অথচ তার সেখানে পোস্টিং ছিল না। সঞ্জয়ের সঙ্গে কি পরিচয় ছিল সন্দীপের?
সাত, হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থা কেমন? হাসপাতালের চিকিৎসকদের সুরক্ষার জন্য কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল?
আট, ঘটনার পর কার কথা শুনে ইস্তফা দিয়েছিলেন সন্দীপ? ইস্তফা দেওয়ার সিদ্ধান্ত কেন নিয়েছিলেন?
সিবিআই সূত্রের মতে, সন্দীপের জবাব খুব যে সন্তোষজনক তা নয়। এভাবে প্রশ্ন এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে গেলে তাঁকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আদালতে আবেদন জানানো হতে পারে।