
শেষ আপডেট: 14 May 2023 08:54
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইতিমধ্যেই কলকাতা তথা গোটা পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশাকে স্বস্তি দিয়ে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূলের দিকে ঘুরে গিয়েছে 'মোখা' (Cyclone Mocha)। প্রায় ২০০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া নিয়ে অতিপ্রবল এই ঘূর্ণিঝড় চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজার জুড়ে ভয়ানক তাণ্ডব শুরু করেছে। কিন্তু কলকাতায় (Kolkata weather) তার কোনও প্রভাব নেই বলেই জানিয়ে দিলেন আলিপুর আবহাওয়া দপ্তরের কর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় (Met Office)।
রবিবার এক সাংবাদিক সম্মেলনে সঞ্জীববাবু জানান, 'মোখা'-র কোনও প্রভাব কলকাতায় অন্তত আজ পড়বে না। কলকাতা শুকনোই থাকবে। বস্তুত, ১৬ তারিখ অবধি দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে তাপপ্রবাহ আরও খানিক বাড়ারই সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে পুরুলিয়া ও বাঁকুড়াত-সহ পশ্চিমের জেলাগুলোতে এর পরিমাণ বেশি থাকবে। আবার ১৬ তারিখের পর থেকে উত্তরবঙ্গে বজ্রবিদ্যুৎ-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বীরভূম ও দুই বর্ধমানে ১৬ তারিখে তাপপ্রবাহ বইতে পারে। তবে ১৭ তারিখ থেকে দক্ষিণবঙ্গে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের পূর্বদিকের জেলাগুলিতে, অর্থাৎ নদীয়া, মুর্শিদাবাদ, দুই চব্বিশ পরগণায় তা আগে হবে। পরে তা হবে পশ্চিমের জেলাগুলোতে।
বিষয়টিকে ব্যাখ্যা করে সঞ্জীববাবু বলেন, সাধারণত দক্ষিণবঙ্গের ঝড়বৃষ্টির একটা কারণ ঝাড়খণ্ডের ওপর তৈরি হওয়া নিম্নচাপ। কিন্তু এবারের নিম্নচাপের জোগানদার বাংলাদেশ। তাই পূর্ব থেকে পশ্চিমে এই নিম্নচাপের গতিবিধি থাকবে।
ল্যাটেরাইট-সহ বিভিন্ন শুকনো লাল মাটির জায়গা ছোটনাগপুর মালভূমি বরাবরই বাংলায় বরুণদেবের আশীর্বাদের উৎস। তবে এবারের ঝঞ্ঝা সম্ভবত মোখার লেজের ঝাপ্টার ফলেই আসতে চলছে। সাধারণত স্থলভাগে প্রবেশ করার পরে মোখার প্রভাবে বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল জুড়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর। এবার কলকাতাতেও তার রেশ আসার কথা স্পষ্ট করে দিল আলিপুর।
আছড়ে পড়ল ‘মোখা’, ঘূর্ণিঝড়ের তাণ্ডবে কার্যত লণ্ডভণ্ড হবার মুখে বাংলাদেশ-মায়ানমার উপকূল