
শেষ আপডেট: 7 December 2021 13:58
ভুবন ব্যানার্জী লেনের প্রেমনাথ কেশরী বললেন, 'জল জমার পাশাপাশি আবর্জনার সমস্যার জেরবার হতে হয়। নিয়মিত নর্দমা পরিষ্কার না হওয়া জল জমার অন্যতম কারণ। প্লাস্টিক জমে ড্রেন বন্ধ হয়ে থাকে। বর্ষায় ঘরেও জল ঢুকে যায়।'
পুরসভার এক সাফাইকর্মী জানালেন, এই এলাকার লোকজনও সচেতন নয়। যে কারণে যত্রতত্র প্লাস্টিক ফেলে রাখে। সকালে পরিষ্কার করলে, বিকেলের মধ্যেই নোংরা হয়ে যায়। পুরসভার তরফে নজরদারিও প্রয়োজন। ওই বর্জ্যেই নিকাশির গালিপিটগুলি ভরে ওঠে।'
এমজি রোডের আলোক সেনের অভিযোগ, ব্রিটিশ আমলে তৈরি নিকাশি নালা থেকে পলি এবং বর্জ্য তোলার কাজে ঘাটতি রয়েছে কলকাতা পুরসভার। সেই সঙ্গে যুক্ত হয়েছে যথাযথ ভাবে খাল সংস্কার না-হওয়ার সমস্যা। এবছরের বৃষ্টি সবাইকে ভুগিয়েছে। ভাল ভাবে খাল সংস্কার না করলে আগামী দিনে বিপদ আরও বাড়বে বলেই তাঁর মত।
২৭ নম্বর ওয়ার্ডের বহু বাসিন্দার দাবি, গত দু’বছর ধরে অল্প বৃষ্টিতেই এই সব রাস্তা দীর্ঘক্ষণ জলমগ্ন হয়ে থাকছে। অভিযোগ, আগে এই এলাকায় সারা বছর ম্যানহোল খুলে পলি তোলার কাজ হত। এখন কিন্তু তেমন কিছু করতে দেখা যায় না।
এই ওয়ার্ডের স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজকিশোর গুপ্তার দাবি, 'মানুষের অসচেতনতাও এই জল জমার জন্য কিছুটা দায়ী। জল মূলত গালিপিট দিয়ে বার হয়ে যায়। মানুষের যত্রতত্র ফেলে দেওয়া প্লাস্টিক এবং আবর্জনায় সেগুলি আটকে থাকায় জল স্বাভাবিক গতিতে বেরোতে পারে না।’
তাঁর স্ত্রী মীনাক্ষী গুপ্তা পুরভোটের তৃণমূল প্রার্থী বললেন, 'এই ওয়ার্ডে জল জমার সমস্যা ছাড়া আর কোনও সমস্যা নেই। আমরা আপ্রাণ চেষ্টা করছি। নির্বাচিত হলে কলকাতা পুরসভাকে এই সমস্যা মেটাতে সবরকমভাবে আবেদন করব।'