
শেষ আপডেট: 8 October 2021 14:08
পুরসভা জানাচ্ছে, পুজোর সময় অষ্টমী থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে হাওয়া অফিস। তার আগেও হাল্কা থেকে মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা আছে। আবার যাতে জমা জলে সমস্যা না হয় তার জন্য আগে থেকেই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
কী কী প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে? কোন কোন এলাকায় জল জমার সমস্যা বেশি, তা জানতে সমীক্ষা চালানো হবে। এলাকাগুলি চিহ্নিত করার পরে কী ভাবে সমস্যা মেটানো যায়, তা ঠিক করা হবে। শহরের যেখানে বড় বড় পুজো হয় সেখানে জল জমার সমস্যা থাকলে বা নিকাশি ব্যবস্থায় গণ্ডগোল থাকলে সেগুলো চিহ্নিত করা হবে। তবে শুধু পুজো কেন্দ্রিক নয়, সার্বিকভাবে গোটা শহরে যাতে নিকাশি ব্যবস্থা ঠিকঠাক থাকে তা দেখা হবে।
ভবানীপুরে ভোটের আগে যেভাবে জমা জল বের করেছে পুরসভা তা প্রশংসনীয়। প্রায় ১৫০ জন পুরকর্মীকে তাদের অক্লান্ত পরিশ্রমের জন্য পুরস্কারও দেওয়া হয়েছে। একদিনের মধ্যে ভবানীপুরে জমা জল বের করতে অতিরিক্ত পাম্প, গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্ককে কাজে লাগিয়েছিলেন পুরকর্মীরা। তাতে সাফল্য মিলেছিল। সেই ব্যবস্থাই এবার রাখা হবে শহর জুড়ে। পুরসভা সূত্রে খবর, ৭৬টি পাম্পিং স্টেশন তৈরি রাখা হচ্ছে। অতিরিক্ত ৪০৮টি পাম্প রাখা হবে জল টেনে বের করার জন্য। পোর্টেবল পাম্প থাকবে প্রায় ৪০০টি। গলিপিট ক্লিয়ার ট্যাঙ্কও তৈরি রাখা হচ্ছে। এই ট্যাঙ্কের ক্যাপাসিটি ২ হাজার লিটার। পুরসভার যে অতিরিক্ত পাম্প আছে তাতে জমা জল টেনে বের করে খালে ফেলা হয়। কিন্তু ভারী বৃষ্টি হলে খালের নাব্যতা কমে যায়। ফলে খালের জল উপচে শহরে ঢুকে পড়তে পারে। সেদিক থেকে গলিপিট ট্যাঙ্ক সরাসরি জল টেনে নেয়।
রাজারহাট-গোপালপুর ও সল্টলেকের মাঝে রয়েছে কেষ্টপুর খাল। আবার রাজারহাট-গোপালপুরের মধ্যে দিয়ে গিয়েছে বিবি ক্যানাল এবং বাগজোলা খাল। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে এই সব ক’টি খালেই পলি জমে জমে জলস্তর উপরে উঠে এসেছে। তাই খালের জল যাতে উপচে না আসে সেদিকে নজর রাখছে পুরসভা। শহরের বিভিন্ন ড্রেনের মুখে যাতে ময়লা না জমে সেদিকে নজর রাখা হচ্ছে। জেলাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে খালগুলি পরিষ্কার রাখতে যাতে বৃষ্টি হলে জল তাড়াতাড়ি বের করে দেওয়া যেতে পারে।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'