দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইকবালপুরে বৌদি ও তাঁর দুই মেয়েকে খুনের চেষ্টা করে থানায় আত্মসমর্পণ করল অভিযুক্ত তুতো-সম্পর্কের সৎ দেওর সুলতান আনসারী! হাসপাতালে নিয়ে গেলে বৌদিকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। চরম সংকটজনক অবস্থায় চিকিৎসা চলছে দুই মেয়ের।
পুলিশ জানিয়েছে, ৬০ নম্বর ডক্টর সুধীর বোস রোডের এই ঘটনায় তদন্ত শুরু হয়েছে। পরিবারের তিন-তিন জনের উপর এমন নৃশংস আক্রমণ হল কেন, তা নিয়ে এখনও অন্ধকারে ইকবালপুর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছেন পুরপ্রশাসক ফিরহাদ ববি হাকিম।
প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, ১৯৯৫ সাল থেকে ওই বাড়িতে রয়েছে ওই পরিবার। কখনও কোনও সমস্যা, ঝামেলা হয়নি। শুক্রবার সকাল সাড়ে বারোটা নাগাদ আচমকাই চিৎকার চ্যাঁচামেচি শোনেন প্রতিবেশীরা। গিয়ে দেখেন ছিন্নভিন্ন অবস্থায় অচেতন হয়ে পড়ে রয়েছে মা ও দুই মেয়ে। ওই অবস্থাতেই তাঁদের নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। বছর ৪৫-এর মহিলাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা, আশঙ্কাজনক অবস্থায় লড়ছে দুই মেয়ে।
পুলিশ জানিয়েছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাথাড়ি কোপানো হয় তাঁদের। মৃত মায়ের নাম আকিদা খাতুন। তিনি ও তাঁর মেয়েদের উদ্ধার করে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। আকিদার দেহে প্রাণ ছিল না। তাঁর দুই মেয়ের বয়স ২০ ও ১৭। তাঁদের অবস্থা আশঙ্কাজনক।
২৫ বছরের সুলতান আনসারি রাজবাগান এলাকার বাসিন্দা। সে আকিদার স্বামীর মাসতুতো-সম্পর্কের সৎ ভাই। আত্মসমর্ণপণ করার পরে তাকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ, চলছে জেরা। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভবত পারিবারিক বিবাদ বা সম্পত্তি সংক্রান্ত বিদ্বেষের জেরেই এই হিংসার ঘটনা ঘটেছে।