জোড়াবাগানে পুলিশের ডেরায় ভূতের উপদ্রব! রাতবিরেতে থাপ্পড় খেলেন ট্রাফিক সার্জেন্ট
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভূতের (Ghost) উপদ্রবে নাকাল ট্রাফিক পুলিশরা (Traffic Police)। তাও আবার খাস কলকাতায় (Kolkata)!
উত্তর কলকাতার সনাতনী ঐতিহ্য বহন করে বাগবাজার শোভাবাজারের মতো এলাকা। সেখান থেকেই ভূতের উপদ্রবের খবর মিলেছে। সাধারণ মানুষের উপর
শেষ আপডেট: 8 September 2021 11:33
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভূতের (Ghost) উপদ্রবে নাকাল ট্রাফিক পুলিশরা (Traffic Police)। তাও আবার খাস কলকাতায় (Kolkata)!
উত্তর কলকাতার সনাতনী ঐতিহ্য বহন করে বাগবাজার শোভাবাজারের মতো এলাকা। সেখান থেকেই ভূতের উপদ্রবের খবর মিলেছে। সাধারণ মানুষের উপর না, ভূত জ্বালাচ্ছে খোদ পুলিশকে। পরিস্থিতি এমনই যে এই ভূত নিয়ে পুলিশের কর্তারা বৈঠক পর্যন্ত ডেকেছেন। ডাক পড়েছে ভূত বিশেষজ্ঞ গোয়েন্দাদেরও।
পর্ণশ্রীর জোড়া খুনে ঘনাচ্ছে রহস্য, গৃহকর্তার আংটিতে মিলল রক্তের দাগ!
ঘটনা জোড়াবাগানের। ১০২ শোভাবাজার স্টিটে ট্রাফিক গার্ডের বিল্ডিং বেশ পুরনো। সেই নকশাল আমলে নাকি এই বাড়ি ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন মালিকরা। যাওয়ার সময় পুলিশকে ভাড়া দিয়ে গিয়েছিলেন। এতদিন সব ঠিকঠাকই ছিল। তবে বছর দুই-তিন ধরে নাকি সেখানে আচমকা ভূতের উপদ্রব শুরু হয়েছে।
কী উপদ্রব?
জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডে কর্তব্যরত এক পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, এক রাত সেখানে থেকেছেন তিনি। আর সেই রাতেই কে যেন তাঁর গালে সপাটে চড় মেরেছে! তারপর থেকেই আর সেখানে রাতে থাকতে নারাজ ওই পুলিশ কর্তা।
অন্য আরেকজন জানিয়েছেন চড় না খেলেও তিনি ভূতের উপস্থিতি ভালভাবেই টের পেয়ছেন জোড়াবাগানের ট্রাফিক গার্ডে। সারারাত খুচখাচ আওয়াজ শুনতে পেয়েছেন। এমনই অদ্ভুত সেসব আওয়াজ যে তিনি ঘুমোতেই পারেননি। সারা রাত ভয়ে কুঁকড়ে কাটিয়েছেন সকালের আলো ফোটার আশায়।
জোড়াবাগান ট্রাফিক গার্ডে কর্তব্যরত একাধিক পুলিশ কর্মীর কাছ থেকে এমন অভিযোগ পেয়ে কার্যত নড়েচড়ে বসেছে পুলিশ। কেউই রাতে সেখানে ডিউটি করতে চাইছেন না। এই নিয়ে অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার তন্ময় রায়চৌধুরীর তত্ত্বাবধানে মিটিংও হয়েছে লালবাজারে।
শেষমেশ ভূত বিশেষজ্ঞ গোয়েন্দাদের এই রহস্য উন্মোচনের ভার দেওয়া হয়েছে। শোভাবাজার স্ট্রিটে গিয়ে তাঁরাই পুরো বিষয়টা খতিয়ে দেখবেন। সমাধান করতে পারবেন কি? উত্তর দেবে সময়।
পড়ুন দ্য ওয়ালের সাহিত্য পত্রিকা 'সুখপাঠ'