
প্রতীকী ছবি
শেষ আপডেট: 6 October 2024 18:37
দ্য ওয়াল ব্যুরো: জয়নগরে নাবালিকাকে ধর্ষণ ও খুনে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল পরিবার। জরুরি ভিত্তিতে হাইকোর্টের বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষের এজলাসে আজ রবিবার দুপুর দুটোয় শুনানি শুরু হয়।
শুনানিতে আদালত পকসো আইনে মামলা রুজুর নির্দেশ দিয়েছে। কল্যাণী এইমসে ময়নাতদন্ত করার পরিকাঠামো না থাকলে কল্যাণী জেএনএম হাসপাতালে সোমবার ময়নাতদন্ত করার কথাও বলা হয়েছে। কাল বেলা পৌনে ১২টার মধ্যে পুলিশ যেন হাসপাতালে দেহ নিয়ে যায় সেই নির্দেশও দিয়েছেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ।
এদিন শুনানি চলাকালীন আদালতের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছে পুলিশ প্রশাসনকে। বিচারপতির প্রশ্ন, ‘১০ বছরের একটি মেয়ে। অথচ পুলিশ পকসো আইনে মামলা রুজু করেনি কেন? এর পরই বিচারপতি পকসো আইনের ধারা যুক্ত করে দেওয়ার নির্দেশ দেন। পাশাপাশি বিচারপতি মৃতদেহের চালান-সহ সব নথি এইমসের হাসপাতালের সুপারের হাতে তুলে দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। বলেছেন, 'কোনও মামলা এভাবে বিচার হয় না। বিচার ধাপে ধাপে এগোয়।'
এর আগে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে যেন ময়নাতদন্ত হয়, সেই দাবি জানিয়েছিলেন মৃত ছাত্রীর বাবা। সেই মোতাবেক উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিল পুলিশ। রবিবার প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের নির্দেশে মামলার জরুরি ভিত্তিতে শুনানি হয়। কমান্ড হাসপাতালে সাধারণ মানুষের ময়নাতদন্ত করা সম্ভব না। পাল্টা, ছাত্রীর পরিবারের তরফে বলা হয় এর আগে বাইরের লোকের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। দাবি কথা, পাল্টা দাবিতে শেষে কল্যাণী এইমসে ময়নাতদন্তের নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট। বলা হয়েছে, সেখানে ঠিকঠাক পরিকাঠামো না থাকলে যেন কল্যাণীর জেএনএম হাসপাতালে ময়না তদন্ত করা হয়।
বিচারপতি নির্দেশ দেন, ‘কল্যাণী এইমসের চিকিৎসকরাই ময়নাতদন্ত করবেন। সেখানে উপস্থিত থাকবেন জেএনএম হাসপাতালের একজন। সোমবার সকাল ১১:৪৫-এ দেহ যাবে এইমসে। উপস্থিত থাকতে হবে বারুইপুর কোর্টের ম্যাজিস্ট্রেটকেও। মা-বাবা যদি চান, তাহলেই একমাত্র ময়নাতদন্তের ভিডিও দেখতে পারবেন। এমনি সময় ময়নাতদন্তের ঘরের বাইরে থাকতে পারবেন তাঁরা।