৩৬ বছর বয়সি চিকিৎসকের মৃত্যু করোনা সংক্রমণে, ফের দুঃসংবাদ কলকাতায়
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর কলকাতায় ফের করোনা সংক্রমণের বলি হলেন আরও এক চিকিৎসক! এবার মাত্র ৩৬ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল প্রতিভাবান তরুণ চিকিৎসক নীতিশ কুমারের জীবন।
জানা গেছে, আরএন টেগোর হাসপাতালের কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন নীতিশ।
শেষ আপডেট: 4 August 2020 13:47
দ্য ওয়াল ব্যুরো: শহর কলকাতায় ফের করোনা সংক্রমণের বলি হলেন আরও এক চিকিৎসক! এবার মাত্র ৩৬ বছর বয়সে শেষ হয়ে গেল প্রতিভাবান তরুণ চিকিৎসক নীতিশ কুমারের জীবন।
জানা গেছে, আরএন টেগোর হাসপাতালের কার্ডিওভাস্কুলার সায়েন্স বিভাগের চিকিৎসক ছিলেন নীতিশ। গত জুন মাসেই তিনি ডাক্তারি পড়াশোনার কোর্স শেষ করেছিলেন। তার পরে ভিন্ রাজ্যে নিজের বাড়ি যান তিনি। কয়েক দিন পরে ফের কলকাতায় ফিরে কাজে যোগ দেন। এর পরে গত মাসে করোনায় আক্রান্ত হয়ে আরএন টেগোর হাসপাতালেই ভর্তি হন।
সূত্রের খবর, চিকিৎসা শুরু হলেও নীতিশ খুব একটা সাড়া দিচ্ছিলেন না। তার উপর গত কয়েক দিন ধরে দ্রুত তাঁর অবস্থার অবনতি হচ্ছিল। ভেন্টিলেশন সাপোর্টেও রাখা হয়েছিল দীর্ঘদিন। এমনকি আক্রান্ত চিকিৎসকের ফুসফুস অকেজো হয়ে যাওয়ার জন্য ইকমো সাপোর্টও দেওয়া হয় তাঁকে।
কিন্তু কোনও ভাবেই শেষরক্ষা হয়নি। আজ, মঙ্গলবার দুপুর তিনটে নাগাদ তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে হাসপাতাল সূত্রের খবর। হাসপাতালের তরফে জানানো হয়েছে, সবসময় হাসিমুখে থাকার জন্যই সুপরিচিত ছিলেন নীতিশ। অত্যন্ত পরিশ্রমী ছিলেন। দক্ষ কার্ডিয়াক সার্জেন হয়ে উঠছিলেন তিনি। নীতিশের স্ত্রী ও দু'বছরের ছেলে রয়েছে, তাঁদের প্রতিও সহানুভূতি জানিয়েছে হাসপাতাল।
জুলাই মাসের ৩১ তারিখেই করোনা সংক্রমণে প্রয়াত হন কলকাতা মেডিক্যাল রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিএমআরআই) জেনারেল মেডিসিন বিভাগের প্রতিষ্ঠিত ডাক্তার তরুণকুমার বন্দ্যোপাধ্যায়। করোনা সংক্রমণের উপসর্গ নিয়ে ঢাকুরিয়ার আমরি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। ৭৮ বছর বয়সে মারা গেলেন তিনি।
হাসপাতালে ভর্তি করার পরেই তাঁর করোনা পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্ট পজিটিভ আসে। তাঁকে সুস্থ করে তোলার সবরকম চেষ্টা করা হয়েছিল বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। কিন্তু সংক্রমণ এতটাই ছড়িয়ে পড়েছিল যে শেষরক্ষা করা যায়নি। বাঁচানো যায়নি বর্ষীয়ান ডাক্তারকে।
গত মাসের ৪ তারিখে করোনা সংক্রমণে প্রয়াত হয়েছিলেন কলকাতার আরও এক স্বনামধন্য ডাক্তার অভিজিৎ বসু। তিনি ছিলেন আর জি কর হাসপাতালের রেডিওথেরাপি বিভাগের অধ্যাপক এবং রাজ্যের প্রথম সারির ক্যানসার চিকিৎসক। এ রাজ্যের আধুনিক ক্যানসার চিকিৎসার অন্যতম পথিকৃৎ বলা হয় তাঁকে।
এবার প্রাণ গেল ৩৬ বছর বয়সি তরুণ চিকিৎসকের।