
শেষ আপডেট: 18 February 2023 04:31
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিক্কি যাদব (Nikki Yadav) হত্যাকাণ্ডে (Murder) ফের নতুন তথ্য উঠে এল দিল্লি পুলিশের হাতে। সূত্রের খবর, ২০২০ সালেই নিক্কির সঙ্গে নয়ডার এক মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন তাঁর লিভ-ইন সঙ্গী সাহিল গেহলট। কিন্তু এতে একেবারেই খুশি ছিলেন না সাহিলের বাড়ির লোকজন। এমনকী নিক্কিকে যখন খুন করা হয়েছে, সেই হত্যাকাণ্ডেও সামিল ছিলেন তাঁর 'প্রেমিক'-এর বাড়ির সদস্যরা। এরপরই গ্রেফতার করা হয় সাহিলের বাবাকে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নিক্কির সঙ্গে বিয়েতে একেবারেই রাজি ছিল না সাহিলের বাড়ির লোকজন। তারপরেও বিয়ে করা নিয়ে অসন্তুষ্ট ছিল বাবা-মা-সহ অন্যান্যরা। এরপরই সাহিলের পরিবার ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অন্যত্র বিয়ে ঠিক করে। এই ঘটনা নিক্কির কাছে পুরোপুরি গোপন করে লিভ-ইন সঙ্গী সাহিল। এবং এরপরই বাড়ির সদস্যদের সঙ্গে পরিকল্পনা করে নিক্কিকে খুন করার ছক কষে।
তদন্তে নেমে দিল্লি পুলিশ জানতে পারে, সাহিল এবং নিক্কি ২০২০ সালের অক্টোবরে নয়ডার আর্য সমাজ মন্দিরে বিয়ে করেছিলেন। এমনকী সেই বিয়ের সার্টিফিকেটও উদ্ধার করেছে পুলিশ। পরে সাহিল জানায়, নিক্কি হত্যার ষড়যন্ত্রে তার বাবাও জড়িত ছিল। এরপরই তদন্তকারী দলের অফিসাররা সাহিলের বাবা অভিযুক্ত বীরেন্দ্র সিং গেহলটকে জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং পরে গ্রেফতার করে।
ইতিমধ্যে জানা গেছে, সাহিল এবং নিক্কির পরিচিত এক বন্ধুই নাকি খুনের ঘটনা দিল্লি পুলিশকে বলেন। তিনি জানিয়েছিলেন, বিয়ের আসরে সাহিলকে দেখে কোনও কারণে সন্দেহ হয় তাঁর। এমনকী সাহিল সবার সঙ্গে নাচানাচি করলেও চোখেমুখে একটা চিন্তার ছাপ স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছিল। বিষয়টি তাঁর সন্দেহজনক মনে হওয়ায় সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে খবর দেন ওই ব্যক্তি। এরপর সাহিলকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে পুলিশ। তারপর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি ধাবার ফ্রিজ থেকে নিক্কির দেহ উদ্ধার হয়।
বালাসাহেবের তৈরি শিবসেনা, উদ্ধবের থেকেই প্রতীক কেড়ে নিল নির্বাচন কমিশন