দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাহলে কি সত্যিই কোরীয় উপদ্বীপে সব ঝগড়ার অবসান হতে চলেছে?
সেই পাঁচের দশকে কোরিয়ার যুদ্ধের পর থেকেই দুই কোরিয়ার মধ্যে মুখ দেখাদেখি বন্ধ। দক্ষিণ কোরিয়া আমেরিকার ঘনিষ্ঠ। উত্তর কোরিয়া চিনের। গত কয়েক বছরে উত্তর কোরিয়া একের পর এক পরমাণু অস্ত্র বানানোয় কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা চরমে উঠেছিল।
আজ ট্রাম্প-কিম বৈঠকের পরেও সব উত্তেজনার অবসান হবে বলে মনে করছেন না কূটনীতিকরা।
আরও পড়ুন: কিমের রহস্যময় বডিগার্ডরা সিঙ্গাপুরেও
তাঁরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন, আমেরিকা ও সোভিয়েতের মধ্যে ঠান্ডা যুদ্ধের অবসান ঘটাতে তিনবার বসতে হয়েছিল তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রেগান ও সোভিয়েতের নেতা মিখাইল গর্বাচভকে। প্যালেস্তাইন নিয়ে যুদ্ধের পরে মিশরের প্রেসিডেন্ট আনোয়ার সাদাত ও ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী মেনাচেম বেগিনও আলোচনায় বসেছিলেন। কিন্তু কোনও লাভ হয়নি।
আরও পড়ুন: হ্যান্ডশেক আর হাসিতে শুরু হলো ট্রাম্প-কিম বৈঠক
ট্রাম্প-কিম বৈঠকের ভবিষ্যৎ কী ?
কূটনীতিকরা আপাতত দুজনের চালচলন দেখে আন্দাজ করতে চাইছেন ঠিক কী হয়েছে বৈঠকে?
আরও পড়ুন: আই ফিল রিয়েলি গ্রেট, কিমের হাত ধরে বললেন ট্রাম্প
তাঁদের মনে হয়েছে, কিম খুব চিন্তিত। মিটিংয়ের আগে তিনি যখন লিমুজিন থেকে নামলেন, তখন মাথা নিচু করে কী যেন ভাবছেন। ট্রাম্প যখন লিমুজিন থেকে নামলেন, তাঁরও চোখে মুখে টেনশনের ছাপ।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প-কিম চুক্তিপত্রের ছবি উঠল
কিছুদিন আগেই কানাডায় জি সেভেন বৈঠকে মিত্র দেশগুলির সঙ্গে আমদানি শুল্ক নিয়ে তুমুল তর্ক করে এসেছেন ট্রাম্প। সেখানে তাঁর যে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ ছিল, এখানে তার থেকে সম্পূর্ণ অন্যরকম। যেভাবে তিনি কিমের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, তাতে মনে হয়, যথাসম্ভব বিনয় দেখতে চাইছেন।
আরও পড়ুন: ইয়েস, আমি কিমকে বিশ্বাস করি, বললেন ট্রাম্প
এর ফলে প্রাথমিকভাবে লাভ হলো কিমেরই। তিনি আমেরিকার রাষ্ট্রপ্রধানের সমকক্ষ বলে গণ্য হলেন। কিমের বাবা ও ঠাকুরদাও এত বড় সম্মান পাননি।