
শেষ আপডেট: 8 April 2019 18:30
মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। বিশপের বিরুদ্ধে সাক্ষীদের প্রভাবিত করা ও প্রমাণ লোপাটের অভিযোগ ওঠে।অভিযোগকারিণীর ভাই জানান, মুখ বন্ধ রাখার জন্য এক বন্ধুর মাধ্যমে তাঁদের পাঁচ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব করেছিলেন অভিযুক্ত বিশপ। মামলা চলাকালীনই এই ধর্ষণ কাণ্ডের অন্যতম সাক্ষী, চার্চের এক ফাদারের রহস্যজনক মৃত্যু হয়। পুলিশ জানায়, কুরিয়াকোস কাট্টুথারা নামে ওই ফাদার বিশপের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছিলেন। তিনি পঞ্জাবের হোসিয়ারপুর জেলার সেন্ট পলস চার্চের ফাদার ছিলেন। নিজের ঘরেই তাঁকে মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা গিয়েছিল।
পুলিশি তদন্তকে প্রভাবিত করা হচ্ছে দাবি তুলে চার্চের বাইরে বিক্ষোভ দেখান একটি নারী সংগঠনের সদস্যরা। অভিযোগকারিণীর জন্য সুবিচার চেয়ে কেরল হাইকোর্টের সামনে পাঁচ দিন ধরে ধর্নাও দেন এক দল সন্ন্যাসিনী। এর পরেই ঘটনার তদন্তের জন্য স্পেশাল টিম তৈরি করে কেরল পুলিশ। যদিও সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন বিশপ।
প্রথমে বিশপের দাবি ছিল,পুলিশের রিপোর্টে তাঁর বিরুদ্ধে যা যা অভিযোগ আনা হয়েছে, তাতে নানা অসঙ্গতি আছে। পরে তিনি জানান, এ সবই ওই সন্ন্যাসিনী বদলা নেওয়ার জন্য করেছেন। কারণ, বেশ কিছু কারণে ওই সন্ন্যাসিনীর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিয়েছিলেন তিনি। তাঁকে অন্য জায়গায় বদলির নির্দেশও দেন। এর পর থেকেই তাঁকে ধর্ষণের অভিযোগে ফাঁসানোর হুমকি দিচ্ছিলেন সন্ন্যাসিনী এবং তাঁর পরিবার।
অভিযোগকারিনী সন্ন্যাসিনীর বয়স এখন ৪৩ বছর। কেরল পুলিশের এই পদক্ষেপকে সাধুবাদ জানিয়েছেন তিনি। বলেছেন, বিশপের সাজা না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাবেন তাঁরা।
আরও পড়ুন:
https://www.four.suk.1wp.in/thewall-rape-accused-bishop-franco-mulakkar-gets-bail-from-kerala-highcourt/