
শেষ আপডেট: 7 April 2022 14:22
দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার কেরলের কান্নুরে শুরু হয়েছে সিপিএমের ২৩তম পার্টি কংগ্রেস। সেখানে কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক সংক্রান্ত সেমিনারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে দুই কংগ্রেস (Kerala Congress) নেতা প্রবীণ কেভি শুধাকরণ এবং তিরুবনন্তপুরমের সাংসদ শশী থারুরকে। কিন্তু কেরলে কংগ্রেস ও সিপিএমের এখন অহি-নকুল! এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেস নেতৃত্ব দুই নেতাকেই জানিয়ে দেয়, সিপিএমের পার্টি কংগ্রেসের সেমিনারে যাওয়া যাবে না। গেলে দল বহিষ্কার করবে। রাজ্য কংগ্রেসের (Kerala Congress) এই সিদ্ধান্তে সিলমোহর দেন স্বয়ং কংগ্রেসের কার্যনির্বাহী সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী।
শশী দলীয় সিদ্ধান্ত সিপিএমকে জানিয়ে দিলেও ঝুলিয়ে রাখেন প্রবীণ নেতা থমাস। সাংবাদিক বৈঠক ডেকে তিনি পরে বলেন, 'আমি সিপিএমের সেমিনারে যাব। গিয়ে বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে সরব হব। সেটাই কংগ্রেসের লাইন।' তাঁর বক্তব্য, 'বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াইকে কংগ্রেস সর্বত্র সিপিএমের পাশে থাকে। কেরলে থাকলে আপত্তি কোথায়?'
সূত্রের খবর, থমাসের এই সিদ্ধান্তের পিছনে আছে কেরল কংগ্রেসের অন্তর্দ্বন্দ্ব। বেশ কিছুদিন তিনি দলে কোণঠাসা। তাঁর প্রশ্ন, সিপিএমের সেমিনারে গেলে কেন বহিষ্কার করা হবে। তাঁর বক্তব্য, আমি এআইসিসির সদস্য। সাত বার ভোটে জিতেছি। এটাই কি আমার অপরাধ। তাঁর দাবি, 'সিপিএমের সেমিনারে যাচ্ছেন, এই সিদ্ধান্তের কথা স্বয়ং সনিয়া গান্ধীকে জানিয়ে দিয়েছি।' এখন তাই দেখার কংগ্রেস কী করে।
কেরলে প্রতি পাঁচ বছর পর পর দরকার বদলের রীতি গত বছর বিধানসভা ভোটে বদলে যায়। ক্ষমতা ধরে রাখে পিনারাই বিজয়নের নেতৃত্বাধীন এলডিএফ। তারপর থেকেই প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেসের সরকার বিরোধিতা বেড়েছে। সেখানে সিলভার লাইন রেল প্রকল্পের জন্য জমি নেওয়ার বিরুদ্ধে জোরদার আন্দোলন শুরু করেছে কংগ্রেস (Kerala Congress)। এই পরিস্থিতিতে সিপিএমের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখতে চাইছে কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব। কেন্দ্র-রাজ্য সম্পর্ক নিয়ে সেমিনারে সিপিএম ডিএমকে নেতা তথা তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। তিনি যোগ দেবেন।
যা বোমা-বন্দুক আছে, ১০ মিনিটে গোটা গ্রাম ওড়ানো যাবে! তৃণমূল উপপ্রধানের বিস্ফোরক ভিডিও ভাইরাল