দ্য ওয়াল ব্যুরো : করোনা অতিমহামারীর মধ্যেই দেশের অভ্যন্তরে চালু হয়েছে বিমান চলাচল। প্রথমে স্থির হয়েছিল, বিমানে মাঝের আসনগুলি ফাঁকা রাখা হবে। তাহলে যাত্রীদের মধ্যে সামাজিক দূরত্ব বজায় থাকবে। কিন্তু পরে দেখা যাচ্ছে, বহু সংখ্যক যাত্রী বিমানের টিকিট বুক করতে চাইছেন। অতজন যাত্রীকে জায়গা দিতে হলে মাঝের সিটগুলি ফাঁকা রাখা সম্ভব হবে না। তাছাড়া কম সংখ্যক যাত্রীকে নিয়ে উড়তে হলে বিমানের ভাড়াও বাড়াতে হবে অত্যধিক। এই পরিস্থিতিতে উড়ান নিয়ন্ত্রক সংস্থা ডিজিসিএ নির্দেশ দিয়েছে, মাঝের আসনে যদি কোনও যাত্রীকে বসতে হয়, তাঁকে গায়ে জড়াতে হবে বিশেষ গাউন।
সোমবার ডিজিসিএ থেকে বলা হয়েছে, বিমানের মাঝের সিটে যিনি বসবেন, তাঁকে মাস্ক বা অন্যান্য করোনা প্রতিরোধী ব্যবস্থা তো গ্রহণ করতেই হবে, সেই সঙ্গে গায়ে জড়াতে হবে গাউন। তাঁত মন্ত্রকের নির্দেশ মেনে তৈরি হবে সেই গাউন।
ডিজিসিএ বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে, “যাত্রীর সংখ্যা যদি কম হয়, তাহলে এয়ারলাইন্সগুলি যেন মাঝের আসন ফাঁকা রাখার চেষ্টা করে। অবশ্য একই পরিবারের সদস্যদের একসঙ্গে বসার অনুমতি দেওয়া যেতে পারে।” একইসঙ্গে বিমান সংস্থাগুলিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ঘন ঘন স্যানিটাইজেশন করতে হবে। জরুরি প্রয়োজন ছাড়া বিমানে খাবার বা পানীয় জল দেওয়া যাবে না।
দু’মাস বন্ধ থাকার পরে গত ২৫ মে দেশের অভ্যন্তরে চালু হয়েছে বিমান চলাচল। এখনও আন্তর্জাতিক উড়ান চালু হয়নি।