
শেষ আপডেট: 27 March 2023 09:25
দ্য ওয়াল ব্যুরো: একটি বই দেখিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আক্রমণের ঘটনায় কংগ্রেস নেতা তথা আইনজীবী কৌস্তভ বাগচীর (Kaustav Bagchi) বাড়িতে মধ্যরাতে পুলিশি অভিযান চলেছিল। বড়তলা থানার পুলিশ কৌস্তভের ব্যারাকপুরের বাড়িতে গিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করে এনেছিল। তা নিয়ে রাজ্য রাজনীতিতে কম তোলপাড় হয়নি। ওই ঘটনায় কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) বিচারপতি পুলিশ কমিশনারের রিপোর্ট চেয়েছিলেন। কিন্তু সোমবার সেই মামলার শুনানিতে সেই রিপোর্ট নিয়ে তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল হাইকোর্ট।
এদিন রাজ্যের আইনজীবীর উদ্দেশে বিচারপতি বলেন, ‘কমিশনারের রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়। আপনার সিপি গোটা পুলিশ অভিযানকে যুক্তিগ্রাহ্য বলছেন! গোটা ঘটনা গ্রহণযোগ্য নয়, সবাই সেটা জানে। তাহলে সিপি কি তাঁর পুলিশকে বেআইনি কাজে উৎসাহ দিচ্ছেন? এই ধরনের আচরণ মানতে পারছি না।’
কৌস্তভের বাড়িতে পুলিশি অভিযান, তাঁকে গ্রেফতার করা নিয়ে শাসকদলের মধ্যেও মতভেদ দেখা গিয়েছিল। কুণাল ঘোষ টুইট করে লিখেছিলেন, ‘এটা ঠিক হল না। রাজনৈতিক বিষয় ছাত্র-যুবরাই বুঝে নিতে পারত।’ বিজেপির সজল ঘোষের গ্রেফতারির পর ওই ওয়ার্ডে পুর নির্বাচনে তৃণমূলের রাজনৈতিক ক্ষতির কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছিলেন কুণাল।
এদিন কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েলকে এ ব্যাপারে ফের হলফনামা জমা দেওয়ার জন্য ১২ এপ্রিল পর্যন্ত সময় দিয়েছে হাইকোর্ট। এই সময়ের মধ্যে অন্তর্বর্তী নির্দেশ বহাল থাকবে। ২০ এপ্রিল এই মামলার পরবর্তী শুনানি।
ইতিমধ্যেই হাইকোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল, কৌস্তভকে সিআরপিএফ নিরাপত্তাবলয় দিতে হবে। কিন্তু কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক জানিয়েছে, তা সম্ভব নয়। আদালত এদিন বলেছে, সিআরপিএফ না পারলে সিআইএসএফ নিরাপত্তা দিক। তারজন্য এই মামলায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে অমিত শাহের মন্ত্রককেও।
স্কুলে বঞ্চিত চাকরিপ্রার্থীদের মিছিলের অনুমতি দিল কলকাতা হাইকোর্ট