দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাঠুয়া-কাণ্ডে গণধর্ষিতা নাবালিকার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন সমাজকর্মী ও আইনজীবী তালিব হোসেন। প্রশাসনের বিরুদ্ধে গিয়ে নাবালিকার সুবিচারের জন্য সরব হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু বিচারপদ্ধতি চলাকালীনই তাঁকে গ্রেফতার করল জম্মু–কাশ্মীর পুলিশ। অভিযোগ, ধর্ষণের চেষ্টা করেছেন তিনি।
অভিযোগকারী এক মহিলার দাবি, জুন মাসে কাশ্মীরের সাম্বায় তাঁকে ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন আইনজীবী তালিব হোসেন। এমনকী প্রাণে মারার হুমকিও দিয়েছিলেন বলে দাবি ওই মহিলার। এই অভিযোগের ভিত্তিতে কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলার ত্রাল থেকে বুধবার গ্রেফতার করা হয় তালিব হোসোনকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বৃহস্পতিবার তাঁকে সাম্বায় আনা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগকারিণীর দাবি, চাদওয়ার জঙ্গলে তালিব হোসেন ধারালো অস্ত্র হাতে নিয়ে তাঁর উপর চড়াও হন। অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে তালিব হোসেন তাঁকে মাটিতে ফেলে ধর্ষণের চেষ্টা করেন বলে অভিযোগ। তাঁর দাবি, কোনো মতে সেখান থেকে পালাতে সক্ষম হন তিনি। ঘটনার কথা কাউকে জানালে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়া হয়।
ওই মহিলা জানিয়েছেন, প্রাণের ভয়েই তিনি এত দিন চুপ করে ছিলেন। কাউকে কিছু বলার সাহস পাননি। ৩১ জুলাই প্রথম স্বামীর কাছেই তিনি সব জানান। এর পরে থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করা হয়। জম্মু–কাশ্মীর হাইকোর্ট অবশ্য তালিব হোসেনকে জামিন দিয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযুক্ত তালিব অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি নির্দোষ। কাঠুয়া গণধর্ষণ নিয়ে সোচ্চার হওয়ায়, তাঁকে ফাঁসানোর জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।