
সুশান্ত ও গুলজার।
শেষ আপডেট: 18 November 2024 23:56
দ্য ওয়াল ব্যুরো: ১০ লক্ষ নয়, কসবার তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষকে পৃথিবী থেকে সরিয়ে দিতে ৫০ লক্ষ টাকায় রফা হয়েছিল বলে দাবি পুলিশের।
সূত্রের দাবি, জেরায় এমনটাই জানিয়েছে আফরোজ ওরফে গুলজার খান। সুশান্তকে খুনের পুরো ভার দেওয়া হয়েছিল বিহারের পাপ্পু গ্যাংকে। গ্যাংয়ের এক সদস্য এক মাস আগে থেকেই কলকাতায় ঘাঁটি গেড়ে সুশান্তর গতিবিধি নজর রাখছিল বলে ধৃতদের জেরা করে জানতে পেরেছে পুলিশ।
তবে পাপ্পু. গ্যাংয়ের তিন সার্প শ্যুটার থাকা সত্ত্বেও যুবরাজের মতো আনকোড়া ছেলেকে কেন এগিয়ে দেওয়া হয়েছিল তা নিয়েও ধন্দে রয়েছেন তদন্তকারীরা। প্রসঙ্গত, ধৃত গুলজার আগেই দাবি করেছিল, যে খুনের উদ্দেশে নয়, স্রেফ থ্রেট করার জন্যই গত শুক্রবার সন্ধেই যুবরাজকে পাঠানো হয়েছিল।
গত শুক্রবার সন্ধেয় কসবায় অ্যাক্রোপলিস মলের অদূরে নিজের বাড়ির সামনে আততায়ী হামলার মুখে পড়েছিলেন তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। বন্দুক থেকে গুলি বের না হওয়ায় প্রাণে বেঁচে যান সুশান্ত। ঘটনাস্থল থেকে যুবরাজকে পাকড়াও করেন সুশান্তর অনুগামীরা। পরে ট্যাক্সি চালক আহমেদ এবং বর্ধমান থেকে গুলজারকে পাকড়াও করেন তদন্তকারীরা।
পুলিশ সূত্রের খবর, গুলজার জেরায় একেক সময় একেক রকম কথা বলছে। কাউকে আড়াল করতে সে কিছু লুকোচ্ছে বা তদন্তকারীদের বিভ্রান্ত করতে চাইছে বলেও মনে করছেন দুঁদে অফিসাররা।
এদিন সাংবাদিক বৈঠক থেকে সুশান্তও দাবি করেছেন, গুলজার একা নয়, নেপথ্যে আরও অনেকে থাকতে পারে।
তৃণমূল কাউন্সিলর বলেন, "রুবির পাশে যে গুলশন কলনীর কথা বলা হচ্ছে, ওখানে একটা দেড়শ বিঘার ভেরি আছে। ২০২১ সালে প্রচুর মানুষের কাছ থেকে টাকা তোলা হয়েছিল। প্রতিশ্রুতি ছিল, ২২ এর ভোটের পর ভেরিতে কাজ করতে দেওয়া হবে। কিন্তু আমি জিতে যাওয়ায় যারা টাকা তুলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, তারা সমস্যা পড়ে যায়। আমি ওই ভেরি বন্ধ করে দিই। কিছু জমি ভরাট করা হচ্ছিল, সেটাও আটকে দিই। তাই অনেকের স্বার্থে আঘাত লেগেছে বলেই আমাকে সরিয়ে দিতে চেয়েছিল।"