
ফাইল ছবি।
শেষ আপডেট: 16 November 2024 10:21
দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিদ্ধান্ত বদলালেন কলকাতা পুরসভার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ।
শুক্রবার রাতে নিজের খাসতালুকে কসবায় বাড়ির সামনে সাক্ষাৎ মৃত্যুর মুখোমুখি হওয়ার পর একরাশ ক্ষোভ উগড়ে সুশান্ত জানিয়েছিলেন, "আমি ভীত নই, তবে যেভাবে নিজের ওয়ার্ডে আমাকে আক্রমণ করা হল, তাতে আমি ব্যথিত। আগামীদিনে কাউন্সিলর থাকব কি না, সেটা সময় বলবে।" পরে ঘনিষ্ঠ মহলে তিনি এও জানান, এমন চলতে থাকলে রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়়াবেন।
তবে রাত পেরোতেই মত বদলালেন সুশান্ত ঘোষ। শনিবার সকালে তিনি বলেন, "তখন ঘটনার আকস্মিকতায় আমি ওই কথা বলেছিলাম। পরে সকলের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলাম, আমি এভাবে রাজনীতি থেকে সরে গেলে দুর্বৃত্তদের সাহস বেড়ে যাবে। সেটা হতে দেওয়া যায় না। আমি এর শেষ দেখে ছাড়ব।"
সূত্রের দাবি, গুলি কাণ্ডের পর রাতে সুশান্তকে ফোন করেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তারপরই সুশান্তর মত বদল বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এব্যাপারে তিনি বলেন, "পরিবারের সঙ্গেও কথা বললাম। তারপরই সিদ্ধান্ত বদলেছি। আমি দলের শুরু থেকে রয়েছি। এভাবে রাজনীতি থেকে সরে গেলে সমাজে ভুল বার্তা যাবে।"
ইতিমধ্যে কলকাতা পুলিশের তরফে সুশান্তবাবুর নিরাপত্তাও বাড়ানো হয়েছে। এখন থেকে তাঁর সঙ্গে থাকবেন চারজন সশস্ত্ররক্ষী।
ঘটনার পরই এক নাবালককে পাকড়াও করেছিলেন স্থানীয়রা। ধৃতকে জেরা করে রাতে বন্দর এলাকা থেকে এক ট্যাক্সি চালককে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, বিহারের বৈশালি থেকে ভাড়াটে খুনীদের ভাড়া করে আনা হয়েছিল। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি চলছে। তল্লাশি চলছে মহম্মদ ইকবালেরও। যে খুনের কন্ট্রাক্ট দিয়েছিলেন বলে মনে করছে পুলিশ। পুলিশের দাবি, মহম্মদ ইকবাল নামটি ভাঁড়ানো। নামের আড়ালে রয়েছে অন্য কেউ।