
শেষ আপডেট: 8 July 2019 12:10
এছাড়াও দ্রোণ নামের আরেকটি হাতির মৃত্যু নিয়ে যখন আদালতে কথা হয়, কর্ণাটকের বনদফতর দাবি করে হুনসুরের রাজীব গান্ধী জাতীয় উদ্যানের ফরেস্ট এবং ফিল্ড ডিরেক্টর ইনভেস্টিগেশনে জানিয়েছেন ওর মৃত্যু হয়েছে কার্ডিয়াক অ্যারেস্টে।
কর্নাটকে যে কটি হাতি রয়েছে, তাতে বাল্লে এবং মাথ্থিগড়ুতে ২৫ টি করে, দুবারেতে ২৮ টি, সারকেবাইলুতে ২৫টি, রামপুরায় ১৩টি, ফানাসোলিতে ২ টি হাতি রয়েছে। তিন জন পশু চিকিৎসক এদের সপ্তাহে দুবার করে দেখেন, এদের শরীর ঠিক আছে কি না সেটা নজরে রাখেন। তাঁদেরকে আলাদা করে গাড়ি দেওয়া হয় বনদফতর থেকে, যাতে কোনও ক্ষেত্রে হাতিদের দেখাশোনায় খামতি না থাকে।
আদালত বৃহস্পতিবার জানিয়েছে, সারাদিনে ৫ কেজি খাবার, দৈনিক ৭০ টাকা এদের জন্য বরাদ্দ করা হত এতদিন। যেটা ঠিক নয়। প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম সেটা। প্রাণিসম্পদ দফতরের সচিবকে বিচারপতি তাই আগামী ১৪ই জুলাই হাজিরা দিতে বলেছেন আদালতে।
হাইকোর্টেই টুমাকুর জেলার গুব্বি তালুকের এক ব্যাক্তি একটি জনস্বার্থ মামলা দায়ের করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে মহারাষ্ট্রে ১০০ টাকা করে ব্যয় করা হয় এসব পশুদের রক্ষাখাতে। সেখানে ১০০০ টা পশুখামার আছে। আর কর্ণাটকে মাত্র ২৭ টা পশুখামার থাকা সত্ত্বেও সেখানে ৭০ টাকা দৈনিক হিসেবে খরচ বরাদ্দ হয়েছে।
এখন দেখার একের পর এক এই জনস্বার্থ মামলা দায়েরের পরে কর্ণাটকে হাতিরা কতটা সুরক্ষিত থাকে।