
শেষ আপডেট: 13 May 2023 05:06
দ্য ওয়াল ব্যুরো: কর্নাটক বিধানসভা ভোট (Karnataka Election) গণনার ফলের প্রবণতা কংগ্রেসের (Congress) জন্য স্বস্তির বাতাস বয়ে এনেছে। চূড়ান্ত ফলাফল স্পষ্ট হতে আরও অন্তত দু-তিন ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হবে। তবে এরই মধ্যে কর্নাটকে কংগ্রেস পথে নেমে আনন্দে মেতেছে। হিমাচল প্রদেশের পর কর্নাটকেও দল ভাল ফল করতে চলেছে। তবে এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়, কংগ্রেস সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগার ১১৩টি আসন পাবে কিনা।
দিল্লিতে কংগ্রেসের সদর দফতরেও শীর্ষ নেতারা একে একে পৌঁছতে শুরু করেছেন। কিন্তু সেই নেতাদের ভিড়ে প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে দেখা যাচ্ছে না। হিমাচল প্রদেশের পর দক্ষিণের এই রাজ্যটিতেও বিস্তর ঘাম ঝড়িয়েছেন সনিয়া কন্যা। জনসভার পাশাপাশি একাধিক রোড-শো করে দলকে উজ্জীবিত করেছেন।
একটু আগে জানা গেল, শনিবার ভোরের বিমানে হিমাচলপ্রদেশে গিয়েছেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক। বিমান বন্দর থেকে সোজা চলে গিয়েছেন সিমলার একটি হনুমান মন্দিরে (meditating in Hanuman Temple)। এলাকায় জাগ্রত মন্দির হিসাবে পরিচিত সেটি।
কর্নাটকের ভোটের প্রচারে বজরংবলীকেই কংগ্রেসের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে অস্ত্র করেছিল বিজেপি। কংগ্রেসের ইস্তাহারে বলা হয় দল ক্ষমতায় এলে বজরং দলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেমে। প্রচারে কংগ্রেসের সেই ঘোষণাকেই হাতিয়ার করে স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হাত শিবিরের ঘোষণাকে বজরংবলীর অপমান বলে অভিযোগ করেন। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়। দু-পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে নালিশ করে নির্বাচন কমিশনে। প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে প্রচারে ধর্মকে ব্যবহার করার অভিযোগ ওঠে। প্রচারে মোদীকে মোক্ষম জবাব দেন প্রিয়ঙ্কাই। বলেন, বজরং দলের সঙ্গে বজরংবলীকে গুলিয়ে দিয়ে আপনি দেবতার অসম্মান করেছেন। বজরংবলীর এত বড় অবমাননা আর কেউ করেনি। বস্তুত প্রিয়ঙ্কার এই মন্তব্যই কংগ্রেস মোদীর বিরুদ্ধে পাল্টা হাতিয়ার করে।
সেই প্রিয়ঙ্কা দলের মঙ্গল কামনায় সিমলায় বজরংবলীর মন্দিরেই গিয়েছেন। পুজো দেওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধ্যান করেন সেখানে। এই সফর আগাম জানায়নি কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা চেয়েছিলেন, নীরবে কিছু সময় মন্দিরে কাটাতে। কিন্তু খবর চাপা থাকেনি। মাত্র কয়েক মাস হল হিমাচলে একক শক্তিতে ক্ষমতায় এসেছে কংগ্রেস। দলে কংগ্রেস কর্মীরা মন্দির চত্ত্বরে জডে়া হতে থাকেন।
রাহুলের ছবি দিয়ে সকাল সকাল টুইট কংগ্রেসের, আজ আমি অপরাজেয়, কেউ আটকাতে পারবে না