শেষ আপডেট: 7 November 2020 12:34
সামনের দীপান্বিতা অমাবস্যাতে কালী পুজো। ধুমধাম করে এতদিন এই পুজো পালিত হত কামাখ্যাতে। কিন্তু করোনা আবহে এবছর আর তেমন কোনও আড়ম্বর নেই। যদিও মন্দিরকে নতুনভাবে সাজিয়ে তুলতে উদ্যোগী হয়েছেন কর্মকর্তারা। জানা গেছে ব্যবসায়ী মহলের তরফ থেকে মন্দিরে সোনার গম্বুজ তৈরি করার জন্যে অর্থ প্রদান করা হয়েছে।
সূত্রের খবর অনুযায়ী, প্রাথমিক ভাবে গম্বুজ বসানোর কাজ শেষ হয়েছে। গম্বুজকে ঘিরে রয়েছে তিনটি বড় মাপের সোনার পাত, যা বসানোর কাজ এখনও চলছে। দীপাবলির পরেই সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে বলে জানা গেছে।
কামাখ্যা মায়ের মন্দির রয়েছে আসামের গুয়াহাটির পশ্চিমে, নীলাচল পাহাড়ের কোলে। এই মন্দিরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে নানা মিথ, ইতিহাস এবং ঐতিহ্য। মন্দিরের গর্ভগৃহ সমতল থেকে ১০ ইঞ্চি ভেতরে। কথিত আছে, এখানে দেবী নাকি স্বয়ং উপাসনা করেন! এই মন্দিরের পরতে পরতে লেগে রয়েছে রহস্যের গন্ধ। সাধু সন্ন্যাসীরা বছরের পর বছর এখানে সাধনা করেন পুণ্য লাভের জন্যে। এখনও পর্যন্ত অম্বুবাচির সময়ে, বছরে তিনদিন এখানে মেলা বসে। বলা হয় এই সময় দেবী নাকি ঋতুমতী হন, তাই বন্ধ থাকে গর্ভগৃহ। তবুও পুজোর আচার সচক্ষে দেখতে পাওয়ার ইচ্ছে, এবং পুণ্যের আশায় লক্ষ লক্ষ ভক্তের আগমন ঘটে এই মেলায়।
এছাড়াও এই নীলাচল পাহাড়ের সৌন্দর্যের টানেও অনেক পর্যটক আসেন গুয়াহাটিতে। এই পাহাড়ের যেমন রয়েছে ঐতিহাসিক, প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্ব তেমনই আধ্যাত্মিক মাহাত্ম্যও! এইসবের টানেই বহুদূর থেকে মানুষ আসেন কামাখ্যাতে।