.jpeg)
কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় ও শুভেন্দু অধিকারী।
শেষ আপডেট: 5 April 2025 10:09
দ্য ওয়াল ব্যুরো: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Job Recruitment Scam) যোগ্য অযোগ্যদের বাছাই না করতে পারার জন্য এসএসসির ২০১৬ সালের পুরো প্যানেলটাই বাতিল করার নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এ নিয়ে শাসক-বিরোধী অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ চলছেই।
এসএসসির ২০১৬ সালের পুরো প্যানেল বাতিলের ঘটনায় মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভার ক্যাবিনেটকে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হয়েছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধেই বড় অভিযোগ এনেছেন তৃণমূলের আইনজীবী সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় (Kalyan Bandyopadhyay)।
এ প্রসঙ্গে সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কল্যাণ বলেন, "শুভেন্দু অধিকারী তো তখন তৃণমূলে ছিলেন, বাঁকুড়ার ছেলেদের বঞ্চিত করে মেদিনীপুরের সাড়ে তিন হাজার ছেলেকে উনি (শুভেন্দু) চাকরি দিয়েছিলেন!" কল্যাণ এও বলেন, "শুভেন্দুকে আগে জেলে ভরা উচিত। তারপরে অন্য কথা হবে!"
এ ব্যাপারে বিরোধী দলনেতার কোনও প্রতিক্রিয়া জানা যায়নি। প্রতিক্রিয়া এলে প্রতিবেদনে আপডেট করে দেওয়া হবে। তবে কল্যাণের মন্তব্য ঘিরেও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, শুভেন্দুর বিরুদ্ধে চাকরি বিলির অভিযোগ এনে প্রকারন্তরে কল্যাণও নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগকে মান্যতা দিলেন।
বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ সামনে আসতেই নিমেষে চাকরিহারা হয়েছেন প্রায় ২৬ হাজার ছেলে মেয়ে। এরপরই মুখ্যমন্ত্রী-সহ সমগ্র ক্যাবিনেটকে গ্রেফতারে দাবি জানিয়ে শুভেন্দু বলেছিলেন, "অযোগ্যদের চাকরি পাইয়ে দিতে ২০২২ সালের ৫ মে মন্ত্রিসভা অতিরিক্ত শূন্যপদ তৈরি করেছিল। ওই বৈঠকে উপস্থিত মুখ্যমন্ত্রী-সহ সকলকে গ্রেফতার করে জেরা করলেই যোগ্য অযোগ্য বাছাই সম্ভব।"
বিরোধী দলনেতার আনা এই অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে শুভেন্দুর বিরুদ্ধেই চাকরি বিলির বড় অভিযোগ এনেছেন কল্যাণ। যা নিয়ে নতুন করে শোরগোল তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।